অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবিলায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ধারাবাহিকভাবে ডলার বিক্রি করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে দিন দিন কমছে রিজার্ভের পরিমাণ। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩৪ বিলিয়নের নিচে নেমে এসেছে।
ডলার
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার (১১ নভেম্বর) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ডলারের দাম কমেছে। গত সাত বছরের মধ্যে এদিন সর্বোচ্চ দরপতনের ঘটনা ঘটেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে সরবরাহ শৃঙ্খল ও আর্থিক লেনদেনে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় জ্বালানি সংকট এখন বৈশ্বিক সংকট। বাংলাদেশ শিগগিরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনবে এবং জ্বালানির প্রাপ্যতা থাকবে। দেশের কল্যাণে যা যা করা দরকার আমরা তাই করব। দেশে ডলারের কোনো সঙ্কট নেই।’
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১০৭ টাকা করে রেমিটেন্স দিতে দেশের সিডিউল ব্যাংকগুলোকে বলেছে।
বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৭টি দেশে ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানি করেছে যা উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পণ্যের বহুমুখীকরণের মাধ্যমে আরো ১৮ বিলিয়ন ডলার বাড়ানো যেতে পারে। এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
চেঙ্গিস খান ওরফে তেমুজিন ছিলেন মোঙ্গল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা এবং এই সাম্রাজ্যের প্রথম ‘গ্রেট খান (সম্রাট)’। তিনি ছিলেন বিপুল সম্পত্তির মালিক। হিসাব বলছে, স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে চেঙ্গিসের মোট যে সম্পত্তি ছিল, তার বর্তমান মূল্য ১২০ লাখ কোটি ডলার। অর্থাৎ বিশ্বের বর্তমান ধনকুবেরদের মোট সম্পত্তি মিলিয়েও এত সম্পত্তি হবে না।
বিশ্বজুড়ে হালাল মার্কেটের আকার বাড়ছে এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে তা ১০ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খাবার, পর্যটন, বস্ত্র, কসমেটিক্স, ওষুধ ও রাসায়নিকের এই হালাল বাজার ইতোমধ্যেই সাত ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) ইউক্রেনের জন্যে জরুরি সহায়তা হিসেবে শুক্রবার ১৩০ কোটি মার্কিন ডলার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের মুখে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রা রুপির পতন অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার সকালে বাজার খুলতেই ১৬ পয়সা পড়ে যায় রুপির দাম। এতে ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির দাম দাঁড়িয়েছে ৮২.৩৩ রুপি।
চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৫৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। আমদানি ব্যয়ের চেয়ে রপ্তানি আয় কম হওয়ায় অর্থবছরের শুরুতেই বড় অঙ্কের এই বাণিজ্য ঘাটতি দেখা দিয়েছে।