চীন-তাইওয়ান যুদ্ধের আশঙ্কার মধ্যেই চীন থেকে ৩৬টি যুদ্ধ বিমান পৌঁছাল তাইওয়ানের কাছাকাছি এলাকায়। এর মধ্যে ১০টি বিমান মধ্যরেখাও অতিক্রম করে গেছে বলে তাইওয়ান প্রশাসন সূত্রে খবর।
তাইওয়ান
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন সোমবার বলেছেন, তাইওয়ান এবং চীনের মধ্যকার যুদ্ধ ‘একেবারেই কোনো অপশন নয়’। তিনি বেইজিং-এর সাথে আলোচনার জন্য পুনরায় ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এবং স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রসহ দ্বীপের প্রতিরক্ষা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনা চলছে। আর সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের হুঁশিয়ারি ও পাল্টা হুঁশিয়ারিতে সেই উত্তেজনা আরো বেড়েছে।
চীনের মূল ভূখণ্ড থেকে তাইওয়ানের ‘স্বাধীনতা’র প্রতি যেকোনো বিদেশী সমর্থনকে কঠিন হাতে মোকাবিলার করার ঘোষণা দিয়েছে বেইজিং।
চীন যদি তাইওয়ান আক্রমণ করে, তাহলে মার্কিন সেনা তাদের রক্ষা করবে বলে জানিয়ে দিলেন জো বাইডেন। এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, তাইওয়ানের প্রতি মার্কিন নীতি বদলায়নি।
তাইওয়ানে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ভূমিকম্প। এরপর সেখানে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ৪৪ মিনিটে আঘাত হানে এ ভূকম্পন।
দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ তাইওয়ান প্রণালী দিয়ে চলাচল করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী বলেছে, গত মাসে চীন দ্বীপের চারপাশে নজিরবিহীন সামরিক মহড়া করার পর প্রথম এই ধরনের অভিযান চালানো হলো।
চীনের সাথে সামরিক চাপ উত্তেজনার মধ্যেই প্রতিরক্ষা বাজেটে রেকর্ড বরাদ্দ করেছে তাইওয়ান।
গতমাসে ‘ওয়ারটাইম রেসপন্স এক্সারসাইজ' সেরে নিয়েছে তাইওয়ানের ন্যাশনাল প্যালেস মিউজিয়াম৷ হঠাৎ যুদ্ধ বেঁধে গেলে কীভাবে সব গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকর্ম রক্ষা করতে হবে, প্রয়োজনে সব কিছু নিরাপদ স্থানে সরাতেও হবে তা শেখানো হয়েছে কর্মীদের৷
তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, অন্যান্য বিদেশী প্রতিনিধি দলকে তাইপেই ‘আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছে’। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংসদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির গত সপ্তাহের সফরের কারণে চীনের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় তার সরকার নিবৃত্ত হবে না।