মঙ্গলের বুকে বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে নাসার রোভার পারসেভেব়্য়ান্স। লাল গ্রহের মাটিতে প্রায় ২১.৩ ফিট বা ৬.৫ মিটার এলাকা ঘুরে বেড়িয়েছে এই রোভার। মঙ্গলের মাটিতে দাগ রেখে দিয়েছে সে।
নাসা
সম্প্রতি লালগ্রহে পাড়ি জমিয়েছে নাসার রোবট পারসিভের্যান্স। তবে নাসার এ যান টি কি অবস্থায় আছে সে সম্পর্কে কোন তথ্য জানায় নি মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটি। মঙ্গলে উপস্থিত নাসা’র ‘পারসিভের্যান্স’ মঙ্গল যানটিকে দূর থেকে কেমন দেখতে লাগে?
ওয়াশিংয়নে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সদর দফতরের নাম বদল হচ্ছে। নাসার সদর দফতরের নতুন নাম হচ্ছে প্রথম আফ্রো-আমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা গবেষকের নামে।
একের পর এক ছবি আসছে। ধীরে ধীরে পৃথিবীর সামনে উদ্ভাসিত হচ্ছে লাল গ্রহের ছবি। নাসার পারসিভিয়ারেন্স রোভারের হাইরাইস ক্যামেরায় ধরা পড়ল সেই ঐতিহাসিক মুহুর্তের ছবি।
দীর্ঘ সাত মাসের যাত্রা শেষ। মঙ্গলগ্রহের মাটিতে সফলভাবে নামতে সক্ষম হয়েছে আমেরিকান মহাকাশ সংস্থা নাসার মহাকাশযান পারসিভিয়ারেন্স রোভার।
ফেব্রুয়রি মাসেই মঙ্গলে নিউক্লিয়ার পাওয়ার্ড কার নামাবে নাসা। তারপর বৃহস্পতিতে যাওয়া নিশ্চিত করেছে তারা। ২০২২ সালে এই এজেন্সির যান বৃহস্পতির কক্ষপথে প্রবেশ করবে।
মঙ্গলের পৃষ্ঠে (মার্স ২০২০ পারসেভারেন্স রোভার) ল্যান্ডিংয়ের ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকার জন্য জনসাধারণকে আমন্ত্রণ জানাল নাসা।
চাঁদে মানুষের বসতি স্থাপন ও সেখানে স্থায়ী ভাবে একটি বেস তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে নাসার। দ্য টাইমস জানাচ্ছে, নাসা ২০২৪ সালে চাঁদে এক মহিলা ও এক পুরুষ নভশ্চরকে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই মিশনে যেতে পারে এমন ১৮ জনকে প্রাথমিক ভাবে নির্বাচন করেছে নাসা।
মাধ্যাকর্ষণ শক্তি নেই বললেই চলে। সেই মহাশূন্যেই এ বার মুলাচাষ করে ফেলল আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ‘ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন’ (আইএসএস) নামের যে কৃত্রিম উপগ্রহ দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে, তাতেই এই চমকপ্রদ পরীক্ষায় সফল হয়েছে তারা।
আবারও পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বড় আকারের এক গ্রহাণু। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, আগামী রবিবার 153201 2000 WO107 নামের ওই গ্রহাণুটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে। বিশ্বের দীর্ঘতম বহুতল গগনচুম্বী দুবাইয়ের বুর্জ খলিফার দৈর্ঘ্যের ওই গ্রহাণুটির ব্যাস ০.৫১ কিমি।