টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে হবিগঞ্জ জেলায় বাড়ছে নদী-নদীর পানি। একই সাথে ডুবছে জেলার নিম্নাঞ্চলগুলো।
- হাঁচি দিলেন, কিন্তু কেউ ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলল না-কী করবেন?
- * * * *
- 'কী যেন দেখছিলাম, মনেই নেই'— আপনারও কি এমন হচ্ছে?
- * * * *
- দ্রুত ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে হাঁটা নাকি স্কিপিং, কোনটি বেশি কার্যকর?
- * * * *
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কচুরিপানার নিচে মিলল নিখোঁজ আ.লীগ নেতার মরদেহ
- * * * *
- দুই সন্তান নিয়ে ৮ বছর লিভ-ইন, অবশেষে গোপন বিয়ে অভিনেতার
- * * * *
পানিবন্দি
গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে তলিয়ে গেছে মৌলভীবাজার জেলার সদর, রাজনগর, কুলাউড়া, জুড়ী ও কমলগঞ্জ উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের অসংখ্য বসতঘর, গ্রামীণ সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
গত কয়েক দিনের টানা অব্যাহত ভারী বর্ষণে নোয়াখালীর সেনবাগের প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
সপ্তাহখানেক টানা বৃষ্টি ও সে পানি খাল দিয়ে ঠিকমতো নিষ্কাশন হতে না পারায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে।
ভারতীয় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানি ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার লোকালয়ে প্রবেশ করে বন্যার সৃষ্টি করেছে।
কক্সবাজারে টানা ভারী বৃষ্টিতে দুই শতাধিক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সোমবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টা পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। অব্যাহত এ বৃষ্টিতে কক্সবাজারে ২৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যে কারণে কক্সবাজারের ৯ উপজেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ৩ লাখ মানুষ। তবে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
টানা তিনদিনের ভারী বর্ষণে উখিয়া উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের প্রায় ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চল। সরকারি হিসাব অনুযায়ী পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে আনুমানিক ১০ হাজার মানুষ।
বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ভারতের আসাম রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্রের তাণ্ডবে একদিনের ব্যবধানে প্লাবিত হয়েছে আরও অন্তত চারটি জেলা।
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্লাবিত হয়ে পড়েছে নদ-নদীর অববাহিকার চর ও নিম্নাঞ্চল। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত ১৫ হাজার পরিবার।
টানা ভারী বৃষ্টি ও ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার মদন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।