ফেনীসহ দেশের ১১টি জেলার ভয়াবহ বন্যার রেশ না কাটতেই ফের ৫ জেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। অব্যাহত ভারী বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পানিতে তিস্তা ক্রমশই বিপজ্জনক হচ্ছে।
- হাঁচি দিলেন, কিন্তু কেউ ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলল না-কী করবেন?
- * * * *
- 'কী যেন দেখছিলাম, মনেই নেই'— আপনারও কি এমন হচ্ছে?
- * * * *
- দ্রুত ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে হাঁটা নাকি স্কিপিং, কোনটি বেশি কার্যকর?
- * * * *
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কচুরিপানার নিচে মিলল নিখোঁজ আ.লীগ নেতার মরদেহ
- * * * *
- দুই সন্তান নিয়ে ৮ বছর লিভ-ইন, অবশেষে গোপন বিয়ে অভিনেতার
- * * * *
পানিবন্দি
তিস্তাপাড়ের বন্যায় লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের ৮ উপজেলায় প্রায় ৬০ হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। প্রায় ১৫ হাজার পরিবার নিদারুণ কষ্টে দিনানিপাত করছে।
ভারতের ফারাক্কা ব্যারেজের প্রায় সবকটি গেট খুলে দেওয়ায় ভয়াবহ নদী ভাঙনের পর এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়নপুর ও আলাতুলী ইউনিয়নে দেখা দিয়েছে বন্যা। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার মানুষ।
টানা ভারী বর্ষণে কক্সবাজার শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি জেলার ৯ উপজেলার অধিকাংশ গ্রাম দুই থেকে তিন ফুট তলিয়ে গেছে। এতে পর্যটনের শহর কক্সবাজারের প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া পানিবন্দি হয়ে পড়েছে টেকনাফ ও উখিয়ায় অন্তত ১০০ গ্রামের মানুষ।
ফেনীতে বন্যা পরিস্থিতি অনেকটা উন্নতির দিকে। সরেজমনি শুক্রবার ফেনী সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের উত্তর ও দক্ষিন আবুপুরে গেলে দেখা যায় সেখানে কোথায়ও হাঁটু পানি আবার কোথায়ও কোমর পানি।
ভারতের ত্রিপুরা থেকে নেমে আসা ঢল ও কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত দেশের ১১ জেলা।রোববার (২৫ আগস্ট) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে পানিবন্দি হয়েছে ৬৭ হাজার ১২৮টি পরিবার।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও অতি বৃষ্টিতে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১০ লাখ পরিবার। বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির পর এখন পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
টানা ভারী বর্ষণ এবং ভারত থেকে আসা পানিতে ডুবে গেছে ফেনীর সব উপজেলা। এতে পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন লাখ লাখ মানুষ। এ অবস্থায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), ফায়ার সার্ভিস ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বন্যায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ মুহূর্তে ৮ লাখ ৮৭ হাজার ৬২৯টি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
কক্সবাজারের পেকুয়া-চকরিয়ায় টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে অন্তত ২০ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি রয়েছে।