ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের কারণে দিনাজপুরের হিলিতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি ২০ টাকা বেড়েছে দেশি পেঁয়াজের দাম। বর্তমানে দেশি পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। হঠাৎ করে দাম বৃদ্ধির কারণে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
- কেরানীগঞ্জে আড়াই কোটি টাকার জমি জালিয়াতি নস্যাৎ: মুচলেকায় পার পেল প্রতারক চক্র
- * * * *
- খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়ার অভ্যাস কতটা ক্ষতিকর জানেন?
- * * * *
- ঈদের আগে বাড়ল স্বর্ণের দাম
- * * * *
- ইরানের সঙ্গে চুক্তি আজই হতে পারে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- * * * *
- ‘গাইবান্ধা জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি, ঢাকা’র অর্থ ও শিক্ষাবৃত্তি উপকমিটি গঠন
- * * * *
পেঁয়াজের
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে আরও কমেছে পেঁয়াজের দাম, তবে বেড়েছে ডিমের দাম। দুই দিনের ব্যবধানে কেজিতে ৫ টাকা কমেছে পেঁয়াজের দাম। এ সময় ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা বেড়েছে।
সম্প্রতি পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞার খবর প্রকাশের পর থেকে এক লাফে পণ্যটির দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে। দাম নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোরতা ও ভোক্তারা পেঁয়াজ কম কেনায় দুই দিনের মধ্যেই সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করে। তবে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেড়েছে।
অবশেষে রাজধানীর সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার কাওরান বাজারে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ বৃদ্ধি ও স্বাভাবিকের তুলনায় ক্রেতার দেখা না পাওয়ায় মূলত পেঁয়াজের দাম নিম্নমুখী বলে জানান ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা বস্তায় বস্তায় দেশি ও ভারতীয় জাতের পেঁয়াজ নিয়ে বসে থাকলেও বাজার অনেকটা ক্রেতা শুন্য।
সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি করায় শরীয়তপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ৫৫ হাজার ৫০০ টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডিত করা হয়েছে।
পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে ভারত। ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশটি আর পেঁয়াজ রপ্তানি করবে না। গণমাধ্যমে এমন খবর আসার সঙ্গে সঙ্গেই দেশের বাজারে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম।
গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে সফল হয়েছেন ঝিনাইদহের কৃষকরা। বর্তমান উচ্চমূল্যের বাজারে পেঁয়াজ উঠাতে পেরে খুশি কৃষকরা।
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের পাইকারি দাম এক লাফে বেড়েছে কেজিতে ১৮ টাকা।
সরকারের নির্ধারিত মূল্য বাস্তবায়নে ফরিদপুরে পেঁয়াজের হাটে অভিযান চালিয়েছে জেলা ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
পেঁয়াজ রপ্তানির উপর ভারতের শুল্ক আরোপের অজুহাত দেখিয়ে কোন অসাধু ব্যবসায়ী যেন দাম কিংবা মজুদের ক্ষেত্রে কারসাজি করতে না পারে সেজন্য জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত বাজার তদারকি করবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক এএইচএম শফিকুজ্জামান।