বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস জনিত উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে বন্ধ থাকা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ খুলে দিতে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠান
স্কুল খোলার পক্ষে বেশির ভাগ শিক্ষার্থী। দ্রুততম সময়ে স্কুল খুলে দেয়ার দাবিও তাদের। অন্যদিকে অনলাইনে বা দূরশিখনে ৭০ ভাগ শিক্ষার্থী কোনো সুফল পাচ্ছে না বলেও গবেষণায় উঠে এসেছে।
আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার আভাস পাওয়া গেছে।
পরিবেশ ও পরিস্থিতি বিবেচনায় মার্চ মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা আসতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
করোনাভাইরাস মহামারি কারণে বাংলাদেশে ২০২০ সালে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখার পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয়নি পাবলিক পরীক্ষাগুলো।
ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর:- করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ১৬ জানুয়ারী পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। করোনা অতিমারী প্রতিরোধের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সামাজিক দূরত্বের উপর গুরুত্বারোপ করলে বাংলাদেশে বিগত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি চলছে।
করোনা পরিস্থিতির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ফের আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে। দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কওমি মাদ্রাসা এই ছুটির আওতায় থাকবে না।
করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে, নতুন করে আরও এক মাস ছুটি বাড়তে পারে।
দেশের বেসরকারি স্কুল-কলেজগুলোতে শিক্ষক নিয়োগের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট।