বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি আগামী বছর ৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
প্রবৃদ্ধি
২০২৫ সালে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রবৃদ্ধিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এ সময় দেশে এফডিআই প্রবাহ আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ বেড়ে ১৭৮ কোটি মার্কিন ডলারে (১ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন) পৌঁছেছে।
বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির মতে, চলতি অর্থবছর শেষে দেশের প্রবৃদ্ধি নেমে আসতে পারে ৩ দশমিক ৮ শতাংশে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েসের সঙ্গে ইরান যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা সামলে প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি গতিতে বাড়ছে সিঙ্গাপুরের অর্থনীতি।
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ২২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে জানা গেছে, ১১ মে পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ২২৬ দশমিক ৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-সেপ্টম্বর) শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইবনে সিনা পিএলসির কর পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৬১ কোটি ১৭ কোটি টাকা।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩.৪৯ শতাংশ। গতকাল বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত চূড়ান্ত হিসাবে এ তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশের দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) নিয়ে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী এ সংস্থাটি বলছে, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশ হবে। তবে, পরের অর্থবছরে, অর্থাৎ ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট বৈশ্বিক বাণিজ্য অস্থিতিশীলতা, অভ্যন্তরী রাজনৈতিক অস্থিরতা, উচ্চ মূল্যস্ফীতিসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও অসাধারণ ব্যবসায়িক সাফল্য দেখাচ্ছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি।
চলতি অর্থবছরের নভেম্বর মাসের প্রথম ৯ দিনে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৮.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।