ফজিলত

লাইলাতুল বরাতের ইবাদতের ফজিলত

লাইলাতুল বরাতের ইবাদতের ফজিলত

পবিত্র লাইলাতুল বরাত এক মহিমান্বিত রাত। ১৫ শাবান অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত সম্পর্কে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনেক হাদিস রয়েছে। এ বরকতময় রাত ইবাদত-বন্দেগিতে কাটানো উত্তম। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি পাঁচটি রাত জেগে থাকবে তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যাবে।

ওমরাহর পার্থিব ও অপার্থিব উপকার

ওমরাহর পার্থিব ও অপার্থিব উপকার

হজ ও ওমরাহর ফজিলত অপরিসীম। হজের সময়টা নির্দিষ্ট কিছুদিন হলেও বছরের যেকোনো সময় ওমরাহ করা যায়। তবে হজের নির্ধারিত বিশেষ সময়ে (৮ জিলহজ থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত পাঁচ দিন) ওমরাহ পালন করা বিধেয় নয়; এই পাঁচ দিন ছাড়া বছরের যেকোনো দিন যেকোনো সময় ওমরাহ পালন করা যায়।

নামাজে কাতার সোজা রাখার ফজিলত

নামাজে কাতার সোজা রাখার ফজিলত

আল্লাহ তায়ালা প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করেছেন। সময়মতো জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায়ের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। জামাতে নামাজ পড়ার জন্য কাতার সোজা করার গুরুত্ব অপরিসীম। 

আয়াতুল কুরসির ফজিলত

আয়াতুল কুরসির ফজিলত

প্রতিটি জিনিসেরই চূড়া বা শীর্ষ রয়েছে। আর কুরআনুল কারিমের চূড়া বা শীর্ষ হলো ‘আয়াতুল কুরসি’। আয়াতুল কুরসি মূলত কুরআনুল কারিমের সবচেয়ে বড় সূরা আল বাকারার ২৫৫নং আয়াত। যেটি কালামে পাকের একটি ফজিলতপূর্ণ আয়াত। হাদিস শরিফে এ আয়াতে কারিমার অনেক গুরুত্ব আলোচনা করা হয়েছে। নিম্নে কয়েকটি আলোকপাত করা হলো-

মুসাফাহা করার ফজিলত ও সওয়াব

মুসাফাহা করার ফজিলত ও সওয়াব

পরস্পরের মাঝে হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা ইসলামের শিক্ষা। সম্পর্ক বজায় রাখতে আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করি। এরমধ্যে একে অপরের সাথে দেখা সাক্ষাৎ একটি পদ্ধতি। সাক্ষাতের সময় প্রথমেই আমরা সালাম বিনিময় করি এবং মুসাফাহা করি। এ সম্পর্কে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমরা একে অপরের সঙ্গে মুসাফাহা করো, এতে তোমাদের অন্তরে বিদ্যমান প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষ দূর হয়ে যাবে। একে অন্যকে হাদিয়া প্রদান করো, এতে হৃদ্যতা সৃষ্টি হবে এবং শত্রুতা ও ঘৃণা দূরীভূত হবে।’ (আবু দাউদ : ৫২১২)। 

আশুরার ফজিলত ও কারবালার ঘটনা

আশুরার ফজিলত ও কারবালার ঘটনা

নবী সা: স্বীয় জীবদ্দশায় মহররম ও আশুরার ফজিলত, আমল বিষয়ে বলে গেছেন, যা একাধিক সহিহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। অপর দিকে, কারবালার ঘটনা ঘটেছে রাসূল সা:-এর ইন্তেকালের অর্ধশতাব্দী পরে অর্থাৎ ৬১ হিজরিতে।

জিকিরের গুরুত্ব ও ফজিলত

জিকিরের গুরুত্ব ও ফজিলত

জিকির হলো সর্বোত্তম ইবাদত। হজরত আবু দারদা রা: সূত্রে বর্ণিত- তিনি বলেন, রাসূল সা: সাহাবায়ে কেরামদের সম্বোধন করে ইরশাদ করেন, ‘আমি কি তোমাদেরকে এমন বস্তুর সংবাদ দেবো না যা তোমাদের যাবতীয় আমলের চেয়ে উত্তম, তোমাদের প্রভুর কাছে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য, তোমাদের মর্যাদা বিশেষভাবে বর্ধনকারী। 

জিলহজ মাসের রোজার ফজিলত

জিলহজ মাসের রোজার ফজিলত

জিলহজ মাস, আরবি ১২ মাসের সর্বশেষ মাস। এ মাসটি বছরের চারটি সম্মানিত মাসের একটি। অনেক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী এ মাস।

জুমার দিনের ফজিলত ও বিশেষ আমল

জুমার দিনের ফজিলত ও বিশেষ আমল

অপ্রাপ্তি নয়, প্রাপ্তির সংখ্যাই ঈমানদারের জীবনে বেশি। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা যদি (নিজেদের জীবনে) আল্লাহর নেয়ামত গণনা করো, তবে গুনে শেষ করতে পারবে না।’ কিন্তু আমরা জীবনের অপ্রাপ্তিগুলো নিয়ে পড়ে থাকি বলে প্রাপ্তির শুকরিয়া আদায় করতে পারি না। ফলে অশান্তি আমাদের জীবন থেকে যায় না।