টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম এবং আশেপাশের পাহাড়ি অঞ্চলে ভয়াবহ ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে।
বন্যা
মৌসুমি অতি ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলায় সৃষ্ট ও সম্ভাব্য আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম চালু করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
আষাঢ়ের শেষ প্রান্তে এসে টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের জনজীবন। এরই মধ্যে দেশের চারটি বিভাগের নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে; রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন শহরাঞ্চলে দেখা দিয়েছে তীব্র জলজট। আগামীকাল শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত দেশের আটটি বিভাগেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে কুড়িগ্রামের ছোট-বড় সব নদ-নদীর পানি আবারও দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে।
ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তা নদীর পানি আবারও দ্রুত বাড়ছে। নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করায় তৃতীয় দফা বন্যার আশঙ্কায় উদ্বেগে রয়েছেন তিস্তাপাড়ের বাসিন্দারা।
আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের কয়েকটি নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এ জনপদ বন্যা, খরা ও ভাঙন থেকে রক্ষা পাবে না।
লালমনিরহাটে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার ৫০০ পরিবারের মাঝে জরুরি খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২ জুলাই) বন্যাদুর্গত এলাকায় পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে জরুরি সামগ্রী তুলে দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
আইভরি কোস্টে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বন্যায় অন্তত ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাণহানির আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা কর্তৃপক্ষের।
কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি কমা-বাড়ার মধ্যেই চলছে বন্যা পরিস্থিতি। গত তিন দিন ধরে সবকটি নদ-নদীর পানি আবারও বাড়লেও