টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতির এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। পাহাড়ি ঢলে আরো নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত খবর নিয়ে জানা গেছে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এখনো পানিবনন্দি রয়েছে অন্তত চার লাখ মানুষ।
- ঋণের চাপে কামরাঙ্গীচরে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা
- * * * *
- শেরপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
- * * * *
- কুমিল্লায় চোর সন্দেহে ট্রাক্টর চালককে পিটিয়ে হত্যা
- * * * *
- আওয়ামী লীগকে ফেরাতেই ডিসেম্বরে জামায়াত-এনসিপির লংমার্চ: রাশেদ খাঁন
- * * * *
- বিএনপির নেতৃত্বেই দেশে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
- * * * *
বন্যা
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানে বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে জেলা সদর, থানচি, লামা, নাইক্ষ্যংছড়ি এবং আলীকদম উপজেলার কয়েক হাজার ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে।
ক্রমেই ভয়াবহ আকার নিচ্ছে মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি। করোনার দাপটের মাঝেই দোসর প্রবল বর্ষণ ও ভূমিধস। যার ফলে শনিবার পর্যন্ত সরকারী হিসাব মতে মৃতের সংখ্যা ছিল ১১২। তবে বেসরকারী হিসেবে মৃত্যু প্রায় ১৪০ জন। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনও নিখোঁজ অন্তত ৯৯ জন। কমপক্ষে ৫৫জন গুরুতর আহত। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ।
অত্যন্ত উদ্বেগজনক খবর দিল নাসা। তারা জানিয়েছে, আগামী দশকে আমেরিকা সহ পৃথিবীর বিভিন্ন উপকূলবর্তী এলাকায় প্রবল বন্যা হবে। এর জন্য দায়ী উষ্ণায়ন নয়, বরং চাঁদ। হ্যাঁ, রাতের আকাশে ‘রোম্যান্টিক’ উপস্থিতি দিয়ে যুগের পর যুগ মানুষের কল্পনার সঙ্গী চাঁদের প্রভাবেই ১০ বছর পর ঘন ঘন বন্যা হবে।
লাগাতার বৃষ্টির জেরে জায়গায় জায়গায় ধস। তাতে একসঙ্গে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ভারতের মুম্বই থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রায়গড় জেলার কোঙ্কণে। বৃহস্পতিবার সেখানকার বেশ কিছু জায়গায় ধস নামে। তাতে এক জায়গা থেকে ৩২ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। অন্য একটি জায়গা থেকে আরও চারটি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
ইউরোপের পর এ বার চীন। আচমকা বন্যায় ভেসে গেল ঘরবাড়ি। প্রাণ হারালেন অন্তত ১২ জন। জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। রাস্তায় নেমেছে চীনের সেনাবাহিনী।
ভারি বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় জার্মানিতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৩০ ছাড়িয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ভারি বৃষ্টির পর হঠাৎ বন্যা দেখা দেয় পশ্চিম ইউরোপের আরো করেকটি দেশের সাথে জার্মানিতে।
জার্মানিতে ভারি বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট বন্যায় অন্তত ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে এই তথ্য জানানো হয়।
দেশের উত্তরাঞ্চলের তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে কিছুস্থানে আকষ্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ভারি বৃষ্টিপাত, পাহাড়ি ঢল ও দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে নদীর তীরবর্তী কয়েক শ গ্রাম। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সহস্রাধিক পরিবার।