বরগুনায় ইলেক্ট্রিক ইঁদুর দমন ফাঁদে জড়িয়ে ইমরান (৮) নামে একটি শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বরগুনায়
বরগুনায় গত জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ৮ হাজার ৭১১ জন ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া গত ১০ মাসে জেলাটিতে মশাবাহিত জ্বরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ জনে।
বরগুনায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ৪১ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এর মধ্যে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩১ জন।
ডেঙ্গু যেন বরগুনাবাসীকে ছাড়ছেই না। প্রতিদিনই নতুন নতুন রোগী আক্রান্ত হচ্ছেন। যদিও আক্রান্তের হার কিছুটা কমেছে, তবুও প্রতিদিনই রোগী শনাক্ত হচ্ছে।
ডেঙ্গুর করালগ্রাস থেকে কোনোভাবেই রেহাই পাচ্ছে বরগুনা। মৌসুমের শুরু থেকেই প্রান্তিক এলাকাটি অস্বাভাবিকভাবেই ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা যায়।
বরগুনার বেতাগী উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নে ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট (ভিজিডি) কর্মসূচির চাল বিতরণে ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকার নির্ধারিত প্রতি অসচ্ছল পরিবারের জন্য ৩০ কেজি চাল বরাদ্দ থাকলেও, বাস্তবে তাদের হাতে পৌঁছেছে মাত্র ২২ থেকে ২৩ কেজি।
বরগুনায় নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৫৬ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ৮৫৩ জন।
বরগুনায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও একজন নারী মারা গেছেন। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বরগুনায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্রচার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও এডিস মশার লার্ভা নিধনে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলেও ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না।
বরগুনার আমতলীতে পুকুরের পানিতে ডুবে আছিয়া (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের পূর্ব তারিকাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।