বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিগত সরকারের আমলে প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে। যা ১৫ বছরের হিসাবে প্রায় ২৮০ বিলিয়ন ডলার।
বিলিয়ন ডলার
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুসারে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।
পবিত্র ঈদুল আজহার আগে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা বেড়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার বা এক হাজার ৯২০ কোটি ৯৭ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার।
বাংলাদেশের জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ৮৭৬ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন এবং এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন পরিবেশমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।
বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ প্রথমবারের মতো ১০০ বিলিয়ন বা দশ হাজার কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। গত ডিসেম্বর শেষে বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে নেওয়া ঋণের স্থিতি ছিল ১০০ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন (১০ হাজার ৬৪ কোটি) ডলার।
রপ্তানি খাতের বিভিন্ন পণ্যে নেতিবাচক ধারা থাকলেও পোশাক রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের ১১ মাসে শুধু পোশাক খাতেই প্রায় ৪৩ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেশি।
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২১ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আমদানি বিল পরিশোধে ব্যাংকগুলোকে সহায়তা অব্যাহত রাখায় এমনটি হয়েছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই মাসে তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি করে মোট ৩ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে। যা ২০২২-২৩ অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ একবছরে ১৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার। যা বছরের ভিত্তিতে ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) জানিয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য প্রাথমিক জ্বালানি আমদানি করতে বাংলাদেশকে বছরে ১০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হবে।