স্ত্রীকে বেঁধে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

স্ত্রীকে বেঁধে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

প্রতিকি ছবি

EN

 

 

 

স্ত্র

যশোরের চৌগাছায় স্ত্রীকে বেঁধে জুয়েল আহমেদ রানা (৩৫) নামের এক যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চৌগাছা উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের মুক্তদাহ মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত জুয়েল রানা মুক্তদাহ গ্রামের ওয়াদুদ খন্দকারের ছেলে। তিনি দিনমজুরি ও গ্রামে গ্রামে কসমেটিক্স বিক্রি কর সংসার চালাতেন বলে জানিয়েছেন জুয়েল রানার স্ত্রী মায়া বেগম।

স্থানীজানান, রাজনৈতিক কথা-বার্তা নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মুক্তদাহ গ্রামের ইউসুফ, কাশেম, বাবু, সুমনসহ৫/৬ জন দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে জুয়েলয়ে জুয়েলের দুই পা ভেঙে দেয়।  

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা জুয়েলকে উদ্ধার করে প্রথমে চৌগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোবাশ্বের হোসেন জুয়েল রানাকে মৃত ঘোষণা করেন।  

জুয়েলের স্ত্রী মায়া বেগম দাবি করেন, তার স্বামী কোনকিছুর সাথে জড়িত ছিল না। স্থানীয় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের কর্মকাণ্ড দেখে ফেলার কারণেই তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে।  

মায়া বেগম জানান, বাড়ির পাশে মুক্তাদাহ মোড়ে একটি চায়ের দোকানে তার স্বামীর ওপর হামলা করে দুর্বৃত্তরা।

এসময় মায়া বেগম তাদের বাধা দিতে গেলে তাকে চায়ের দোকানের পিলারের সাথে বেঁধে রেখে তার স্বামীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।  

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোবাশ্বের হোসেন বলেন, দুপুর ১২টার দিকে জুয়েল আহমেদ রানাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যান্ডেজ করা ছিল। ইসিজি করার পর নিশ্চিত হয়ে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তিনি বলেন, মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনই বলা যাচ্ছে, ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

চৌগাছা থানার ওসি মো. মামুনুর রশিদ বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে এবং হত্যাকারীদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও তিনি জানান।