ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অবহিতকরণ এবং তা বাস্তবায়ন নিয়ে মানিকগঞ্জে এক সেমিনারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ফারুক আহম্মেদ বলেন, সর্বাঙ্গে ব্যথা, ওষুধ দেব কোথা।
ব্যথা
শীতের হাওয়া গায়ে লাগতেই বেড়ে যায় ব্যথা বেদনা। হাঁটুর ব্যথা, কোমরের ব্যথা, ঘাড় ব্যথার মতো জয়েন্টের ব্যথা এসব ভোগায় খুব। অনেকেই শীতের সময় বাতের ব্যথায় কাবু হয়ে পড়েন। কারণ এসময় ব্যথার কষ্ট বাড়ে।
দেশের আবহাওয়ায় ইতোমধ্যেই পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে। রাত নামতেই ঠান্ডা অনুভব হচ্ছে, অনেকেই এখন চাদর গায়ে নিচ্ছেন, বন্ধ রাখছেন ফ্যান। তবে এই আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে শরীরে দেখা দিচ্ছে নানা সমস্যা। বিশেষ করে বাত বা জয়েন্টের ব্যথা।
হঠাৎ করে তীব্র মাথাব্যথা বিরক্তিকর হয়ে দাঁড়ায়, যা অনেককে ব্যথা উপশমের ওষুধের দিকে প্ররোচিত করে। অনেকে আবার এক কাপ চা কিংবা কফির দিকে ঝুঁকে পড়ে, এই আশায় যে এটি অস্বস্তি কমাবে।
শীতকাল মানেই সর্দি-কাশি আর ফ্লুর প্রকোপ। এই ঠান্ডা-সংক্রান্ত সমস্যাগুলো থেকেই শিশু থেকে শুরু করে বড়দেরও কানের ইনফেকশন (Ear Infection) বা কানের ব্যথা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
সকালে চোখ মেলে বুঝতে পারছেন মাথাব্যথা ধরেছে। ঘুম থেকে উঠতে ইচ্ছা করছে না— মাথাব্যথা। অফিসে প্রচুর কাজের চাপে চোখ বুজে আসছে— মাথাব্যথা।
বেশিরভাগ নারীই নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে উদাসীন থাকেন। তাই নানা শারীরিক জটিলতা তাদের সঙ্গী হয়। ৪০ না পেরোতেই অসংখ্য নারী নানা অঙ্গের ব্যথায় জর্জরিত হন। পুরুষদের তুলনায় নারীরাই বাতের ব্যথায় বেশি ভোগেন।
যতই ডায়েটে থাকা হোক না কেন, মিষ্টি খাবার দেখলে লোভ সামলানো মুশকিল হয়ে যায়। কিন্তু একটু বেশি মিষ্টি খেলেই যেন বাতের ব্যথা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। অনেকের মনে তাই প্রশ্ন জাগে, মিষ্টির সঙ্গে কি ব্যথার সংযোগ আছে?
বেশ কয়েকদিন ধরেই দাঁতের যন্ত্রণা বা মাড়ি থেকে রক্ত পড়াকে অনেকেই নিতান্তই মুখের সমস্যা বলে এড়িয়ে যান। দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়া মানেই যেন দাঁত তোলা বা ফিলিং করার মতো গতানুগতিক ধারণা।
যতই স্বাস্থ্য সচেতন হন না কেন, লোভনীয় স্ট্রিট ফুড দেখলে লোভ সামলানো দায়। চটপটি, শিঙ্গাড়া, চপ, পাকোড়া, চাউমিন, ঘুগনি— না খেলে চলেই না। এসব খাবার যে কেবল ওজন বাড়িয়ে দেয় তা নয়। ক্ষতি করে পেটেরও। একটানা বাইরের খাবার খেলে দেখা দেয় পেট ব্যথা, বমির মতো সমস্যা।