এই সময় বাতাস ও অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে এ সময়ে শরীরে অস্বস্তি বাড়তে পারে। অনেকেরই গলাব্যথা, সর্দি-কাশি, শরীর ম্যাজম্যাজ করা কিংবা দুর্বল লাগার মতো সমস্যা দেখা দেয়।
ব্যথা
হিপ বা নিতম্ব আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি জয়েন্ট। দাঁড়ানো, হাঁটা, সিঁড়ি ভাঙা, বসা কিংবা দৈনন্দিন প্রায় সব ধরনের চলাফেরার সঙ্গে এই জয়েন্টের সম্পর্ক রয়েছে।
আপনি সতেজ বোধ করার আশায় একটু ঘুমিয়ে নিতে শুয়ে পড়েন, কিন্তু তার বদলে ঘুম ভাঙে তীব্র মাথাব্যথা নিয়ে। ব্যাপারটা পরিচিত লাগছে? আপনি একা নন, এটি আরও অনেকের সঙ্গেই ঘটে এবং এর পেছনে একটি আসল ব্যাখ্যা রয়েছে। দিনের বেলা ঘুমানোকে বিশ্রামের সবচেয়ে সহজ উপায় বলে মনে হলেও এটি সবসময় আপনাকে আরাম দেয় না।
গরমে একটু বের হলেই অস্বস্তি, অতিরিক্ত ঘাম, মাথা ঝিমঝিম বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি এগুলোকে অনেকেই সাধারণ গরমের প্রভাব বলে এড়িয়ে যান। কিন্তু শরীর যদি স্বাভাবিকভাবে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তবে এটি হতে পারে ‘হিট ইনটলারেন্স’ বা তাপ-অসহিষ্ণুতার লক্ষণ।
খাওয়ার পর পেটে অস্বস্তি বা ব্যথা অনেকের কাছেই পরিচিত একটি সমস্যা। কারও ক্ষেত্রে এটি তলপেটে জ্বালাপোড়া দিয়ে শুরু হয়ে বুক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
রোজকার জীবনে হরেকরকম ব্যথার সম্মুখীন হই আমরা। পা মচকানো, পেশিতে টান, হঠাৎ আঘাত, পিরিয়ডের ব্যথা বা অস্ত্রোপচার পরবর্তী অস্বস্তি-ব্যথার সম্মুখীন হতে হয় কম-বেশি। ব্যথা হলেই চটজলদি মুক্তি পেতে পেইনকিলারে ভরসা রাখেন অনেকে।
মাথাব্যথা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের খুবই পরিচিত একটি সমস্যা। কাজের চাপ, পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া, দীর্ঘ সময় মোবাইল বা কম্পিউটারের পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকা কিংবা মানসিক উদ্বেগের কারণে অনেকেরই মাঝেমধ্যে মাথাব্যথা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি সাময়িক এবং তেমন গুরুতর নয়।
ঠান্ডা লাগা অর্থাৎ সর্দি, নাক বন্ধ, গলাব্যথা, গলা খুসখুস করা, গলার স্বর ভেঙে যাওয়া, কাশি, এমনকি জ্বরের মতো উপসর্গও দেখা দেয় বছরের নানান সময়ে। গরমে বা বর্ষায় কেন এমন হয়? সুস্থ থাকতে করণীয় কী?
অন্ত্রে আটকে থাকা গ্যাস তীব্র ব্যথা, খিঁচুনি, পেট ফোলা, টানটান অনুভূতি এবং অস্বস্তিকর ফাঁপাভাব সৃষ্টি করতে পারে।
বর্তমানে আমাদের দিনের বড় একটা সময় কাটে ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে। অনেক সময় ঘাড় ঘোরাতে গেলেই মনে হয় টান লাগছে, আবার সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ঘাড় শক্ত হয়ে থাকে।