পৃথিবীতে মানুষ যাঁদের ঋণ কোনো দিন শোধ করতে পারবে না, তাঁরা হলেন মা-বাবা। সন্তান যখন নিজের অস্তিত্ব সম্পর্কেও সচেতন নয়, তখন মা তাকে নিজের রক্ত-মাংস দিয়ে গড়ে তোলেন।
- দুধ দিয়ে গোসল করা কি ঠিক?
- * * * *
- রক্তদান করার পর যে খাবারগুলো খাবেন না
- * * * *
- হঠাৎ নাক দিয়ে রক্ত পড়া কোন রোগের লক্ষণ?
- * * * *
- মাথাব্যথার সঙ্গে এসব লক্ষণ থাকলে অবহেলা করবেন না
- * * * *
- মধু খেলে কি কাশি ভালো হয়?
- * * * *
মহানবী (সা.
জাবের (রা.)-থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মহানবী (সা.) যখন বক্তৃতা দিতে দাঁড়াতেন তখন তার দুচোখ রক্তিমবর্ণ হয়ে যেত এবং তাঁর আওয়াজ উঁচু হতো এবং তাঁর রাগ অনেকটা বেড়ে যেত।
দারিদ্র্য ও বেকারত্বের সমস্যা শুধু আধুনিক বিশ্বের নয়, অতীতেও ছিল। রসুল (সা.) এর সমাধানে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।
ইনসাফ ও ন্যায়বিচার এক মহত্ গুণ। ন্যায়বিচার ব্যক্তিকে সবার কাছে শ্রদ্ধাভাজন ও প্রিয়পাত্র করে তোলে। শাসক বা রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য ইনসাফ অপরিহার্য বিষয়।
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী। তাঁর গোটা জীবন বিশ্ববাসীর জন্য উত্তম আদর্শ ও অব্যর্থ মাইলফলক। তাঁর জীবনের এমন কোনো দিক নেই যেখানে উম্মতের জন্য শিক্ষা নেই।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর যাপিত জীবনমানব জাতির জন্য অনুপম আদর্শ। তিনি ছিলেন দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মানুষ, কিন্তু অতি সাধারণ ছিল তার জীবন। তরুণ প্রজন্মের কাছে তার অনুকরণীয় জীবনদর্শন তুলে ধরতে পদক্ষেপ নিতে হবে।
মানুষের জীবনে আদর্শ অপরিহার্য। আদর্শহীন জীবন হলো দিশাহীন মরুভূমির পথিকের মতো, যেখানে কোনো গন্তব্য নেই, নেই প্রশান্তির আশ্রয়।
মুহাম্মদ (সা.) এমন একসময় পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন, যখন পৃথিবী ঐশী আলো ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। ফলে পার্থিব জীবনের সব আয়োজন বিদ্যমান থাকলেও সাম্য, মানবিকতা, মনুষ্যত্ব ও কল্যাণকামিতার মতো গুণাবলি হারিয়ে গিয়েছিল। মানুষরূপী মানুষ থাকলেও পৃথিবীতে মনুষ্যত্ব ছিল না, মানুষ মানুষের কাছে নিরাপদ ছিল না। ঐতিহাসিকরা এই সময়কে আইয়ামে জাহিলিয়্যাত বা অন্ধকার যুগ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
মুহাম্মদ (সা.) এমন একসময় পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন, যখন পৃথিবী ঐশী আলো ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল।
ইসলামের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দুনিয়ার রাষ্ট্রগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন—দারুল ইসলাম (ইসলামী রাষ্ট্র), দারুল আমন (নিরাপদ রাষ্ট্র) ও দারুল খাওফ (ভীতিকর রাষ্ট্র)।