ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে মাহির নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন।
মাংস
ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে কোরবানি দিতে পারেনি এমন পাঁচ হাজারের অধিক পরিবারে কোরবানির মাংস পৌঁছে দিয়েছে চাঁদপুর জেলা জামায়াত।
ঈদের দিন মাংস খেতে গিয়ে গলায় আটকে আঁখি তারা খাতুন নামের (১১) এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
ঐতিহ্যবাহী স্বাদের খাবারের তালিকায় গরুর মাংসের শুঁটকির আলাদা কদর রয়েছে। বিশেষভাবে সংরক্ষণ করা এই শুঁটকি দীর্ঘদিন ভালো থাকে এবং ভর্তা, ভুনা কিংবা ঝাল রান্নায় এনে দেয় ভিন্ন স্বাদ।
গলায় কোরবানির মাংস আটকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে প্রাণ হারিয়েছে আঁখি নামের ১১ বছর বয়সী এক কিশোরী।
‘জীবনেও এমন বিপদে পড়ি নাই। দুঃখের কথা না পারি কইতে, না পারি সইতে।
সবসময় শরীক হইয়া কোরবানি দিছি। এই বছর পারি নাই। ছেলেডা মাংসের লাগি কানতাছে। হাতে টাকা নাই।
হের লাগি কমদামে কোরবানির মাংসের লাগি এহানে আইছি। জমিজমা বেইচা দালালের মাধ্যমে বিদেশ গিয়া ধরা খাইলাম। ৩ মাস পর আইয়া পড়লাম। অহন বেকার।
ঘরে ঘরে যখন কোরবানির আনন্দ, তখনই ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় বসে ব্যতিক্রমধর্মী মাংসের বাজার।
পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের মূল আনন্দই লুকিয়ে থাকে পশু কোরবানি দেওয়া এবং পরবর্তীতে কোরবানির পশুর মাংস কাটার মধ্যে।
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় কোরবানির মাংস মসজিদ এলাকায় বসে ভাগ করা হবে নাকি বাড়িতে নিয়ে ভাগ করা হবে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
সারা বছরজুড়েই মাংস তো খাওয়া হয়ই। কিন্তু কোরবানির সময় যেন মাংসের স্বাদ বেড়ে যায় বহুগুণ। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, কেন এমন হয়? কোরবানির মাংস কেন এত মজা লাগে? এর পেছনে কি কোনো রহস্য আছে? না কি পুরোটাই মনস্তাত্ত্বিক বিষয়?