২০২৫ সালের ঈদুল আজহা গাজার মুসলমানদের জন্য আনন্দের নয়, বরং ধৈর্য, শোক আর প্রার্থনার দিন হয়ে উঠেছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই ভূখণ্ডে ঈদের দিনে ছিল না পশু কোরবানি, ছিল না নতুন জামা
- শিল্পকলা থেকে নীল হুরেরজাহানের আইফোন চুরি
- * * * *
- ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও নিয়ন্ত্রণমুক্ত করতে বাজেটে বড় সংস্কার আনা হয়েছে
- * * * *
- হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- * * * *
- ইউজিসির বাজেটে শীর্ষ পাঁচে বাকৃবি, বরাদ্দ ৩৫২ কোটি টাকা
- * * * *
- গ্রামীণফোনের মাইলফলক: দেশে প্রথমবার ৭০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম চালু
- * * * *
মুসলমান
ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায় সোমবার (১৭ মার্চ) রাত থেকে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সংঘর্ষ চলেছে। ব্যাপক পাথর ছোড়াছুড়ি, দোকান ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। পরে কারফিউ জারি করেছে প্রশাসন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা.সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন,পবিত্র রমজান মাসে ও বাংলাদেশের বর্ডারে মুসলমানরা গুলির আতঙ্কে আছে।
মানবজীবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে ইসলাম। অন্যায়ভাবে রক্তপাত ও মানবহত্যা হারাম। কোরআনের ভাষ্য মতে, একজন মানুষকে হত্যা করা পৃথিবীর সবাইকে হত্যা করার নামান্তর।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সব দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের মর্যাদা দেয় বাংলাদেশ। ভারত সম্প্রসারণবাদের বিস্তার করে পার্শ্ববর্তী দেশগুলো কবজা করার চিন্তা করলে বোকার স্বর্গে বাস করছে। হিন্দু-মুসলমান সবাই মিলে দিল্লির দাসত্ব খান খান করে দেব।
পৃথিবীব্যপী বহুল ব্যবহৃত একটি খনিজ নাইট্রিক এসিড, যা অ্যাকোয়া ফর্টিজ এবং স্পিরিট অব নাইটার নামেও পরিচিত।
মুসলমানরা এখন বিলাসিতায় মগ্ন হয়ে গেছে। ভ্রাতৃত্বের দাবি ভুলে গেছে। দ্বীনের প্রতি গাফলতি এসে গেছে। নির্যাতন কাটিয়ে বীরদর্পে মাথা উত্তোলন করতে হলে প্রথমেই ইমান আমল মজবুত করতে হবে। বুঝতে হবে মুমিনের প্রতি মুমিনের কি অধিকার।
সাপ্তাহিক শ্রেষ্ঠ দিন শুক্রবার। মুসলমানদের জন্য এই দিন অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনের কিছু সময়ে আল্লাহ বান্দার দোয়া কবুল করেন বলে হাদিসে এসেছে।
ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের গুরুগ্রামের নুহতে হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এখনো বিরাজ করছে। গত সোমবার রাজ্যে দুই সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। গুরুগ্রামের কয়েকটি মুসলিম পরিবার জানিয়েছে, উগ্রবাদী হিন্দুরা তাদের বাড়ি ছাড়ার হুমকি দিয়েছে।