চালের পানিতে থাকা নানা উপকারী উপাদান। এসব উপাদান যেমন ত্বকের জন্য ভালো, তেমনি চুলের জন্যও দারুণ উপকারী।
যত্নে
প্রচণ্ড গরমে আমাদের ত্বক কিন্তু একটু বেশিই নির্জীব হয়ে পড়ে। উত্তাপে ত্বক লালচে হয়ে যাওয়া বা র্যাশ বের হওয়ার সমস্যাও হচ্ছে অহরহ।
চিয়া সিড কেবল হজমের জন্যই ভালো নয়, ছোট্ট এই বীজ চুলের যত্নেও দারুণ কার্যকর। ওমেগা ৩ রয়েছে চিয়া বীজে, এই স্বাস্থ্যকর চর্বি প্রদাহ কমাতে এবং চুলের ফলিকলকে উদ্দীপিত করতে সাহায্য করে।
গরমে হাঁপাচ্ছে দেশবাসী। তাপমাত্রা ভোগাচ্ছে সবাইকে। রোদের কারণে ত্বকে দেখা দিচ্ছে লালচে ভাব। অনেকের ত্বকে পড়ছে কালচে ছোপও। যারা প্রতিদিন বাইরে বের হন তাদের হাত বা মুখের যে অংশে রোদ বেশি লাগছে সেখানে হচ্ছে ফুসকুড়িও।
চুল পড়া কমানোর পাশাপাশি চুল ঘন করতে সাহায্য করে প্রাকৃতিক কিছু উপাদান। নারকেল তেল, ক্যাস্টর অয়েল, পেঁয়াজ এবং কালোজিরা মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন চুলের যত্নে।
কলা শুধু একটি পুষ্টিকর ফল নয়, এটি ত্বকের যত্নেও অসাধারণ ভূমিকা রাখে। এতে থাকা ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
আলু এটি প্রাকৃতিক ক্লিনজার। ত্বকের পিগমেন্টেশন, ব্রনের দাগ, সান বার্ন থেকে মুক্তি পেতে ও আপনার মুখের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে আলুর জুড়ি মেলা ভার।
প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ লেবুর খোসা চুল পড়া রোধ করতে পারে।
চায়ের সঙ্গে জুড়ে আছে আমাদের নানান রকম অনুভূতি। ঘুম কাটাতে, আড্ডা জমাতে, কাজের ফাঁকে ছোট্ট একটা বিরতি নিতে চা ছাড়া যেন চলেই না।
রান্নাঘরের বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেওয়া কলার খোসাকা কিন্তু নানাভাবে কাজে লাগানো যায়। এটি যেমন ত্বকের যত্নে অনন্য, তেমনি চুল ভালো রাখতেও এর জুড়ি মেলা ভার।