শীত হোক কিংবা গ্রীষ্ম— সারা বছরই চুলে অল্প করে তেল মালিশ করতে বলেন কেশসজ্জা ও কেশচর্চাশিল্পীরা।
যত্নে
খাবার খাওয়ার পর এক খিলি পান খাওয়ার চল বাঙালির বহু পুরনো অভ্যাস। হজমশক্তি বাড়ানো বা মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে পান পাতার জুড়ি মেলা ভার।
অনেকেরই প্রিয় সবজির তালিকায় আছে আলু। প্রায় সব তরকারিতেই এর উপস্থিতি চোখে পড়ে। স্ন্যাকস হোক কিংবা সবজিতে আলু ব্যবহার করা হয়। আলুর খোসা কাটার পর সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়। চাইলে কিন্তু এই খোসা না ফেলে ত্বকের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন।
দাগছোপহীন উজ্জ্বল ত্বক-কার না ভালো লাগে! কিন্তু এমন ত্বক পাওয়া মোটেও সহজ নয়। বিশেষ করে শীতকালে ব্রণ ও দাগছোপের প্রবণতা বেড়ে যায়, ফলে ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ ও নিস্তেজ।
শীতকালে ত্বক শুষ্ক, রুক্ষ ও চুলকানি হয়। এই সমস্যা কমাতে প্রাচীন মসলার মধ্যে অন্যতম হল হলুদ।
চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে আলুর রসের বিকল্প নেই। অনেকেই এই ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করেন।
শীতের শুরু হতেই প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই বন্ধ হয়ে যায় এসি। এখন আর ঠান্ডা বাতাসের প্রয়োজন নেই, তাই অনেকেই সেটিকে অবহেলায় ফেলে রাখেন। কিন্তু এই অবহেলাই আপনার দামি এয়ার কন্ডিশনারকে আগামী গরমে মারাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে।
আমরা টমেটো মূলত রান্না করে খেয়ে থাকি। কিন্তু রান্না করা টমেটোর চেয়ে কাঁচা টমেটো খাওয়া শরীরের জন্য অনেক উপকারী।
ফিশ অয়েল বা মাছের তেল আসে তেলযুক্ত মাছের টিস্যু থেকে। এতে থাকে ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, বিশেষ করে, ইকোসাপেনটাইনোয়িক অ্যাসিড (ইপিএ) এবং ডোকোসাহেক্সাইনোয়িক অ্যাসিড (ডিএইচএ)।
ডিম শরীরের উপকারের পাশাপাশি ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। প্রাচীনকাল থেকে ত্বকের ক্ষেত্রে ডিম ব্যবহার করে আসছে।