রোজা

শাওয়ালের ছয় রোজায় মিলবে সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব

শাওয়ালের ছয় রোজায় মিলবে সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব

পবিত্র রমজানব্যাপী যারা সিয়াম সাধনা করেছেন, তাদের জন্য শুভ সংবাদ হলো- শাওয়াল মাসে ছয়টি নফল রোজা রাখলেই মিলবে সারাবছর রোজা রাখার সওয়াব। এ ছয়টি রোজা রাখা মোস্তাহাব। এর ফজিলত বিশুদ্ধ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।

মুসাফির ব্যক্তির রোজা ও রমজান

মুসাফির ব্যক্তির রোজা ও রমজান

মুসলিম উম্মাহর সর্বসম্মতিক্রমে মুসাফিরের জন্য রোজা না রাখা জায়েজ। ওই মুসাফির রোজা রাখতে সক্ষম হোক অথবা অক্ষম, রোজা তার জন্য কষ্টদায়ক হোক অথবা না হোক—সর্বাবস্থায় তার জন্য রোজা না রাখা বৈধ। 

যাদের রোজা মানে শুধুই না খেয়ে থাকা

যাদের রোজা মানে শুধুই না খেয়ে থাকা

ব্যক্তির আধ্যাত্মিক উন্নতি সাধন এবং তাকওয়ার প্রশিক্ষণ গ্রহণের নিমিত্তে রোজার বিধান প্রবর্তন করা হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে মানুষ! তোমরা যারা ঈমান এনেছ, তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করে দেয়া হয়েছে, যেমনি করে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপর। যেন তোমরা (রোজার মাধ্যমে) মুত্তাকি হতে পারো (আল্লাহকে ভয় করতে পারো)।’ (সুরা বাকারা)

রোজা হতে পারে ৩০টি, বলছেন জ্যোতির্বিদেরা

রোজা হতে পারে ৩০টি, বলছেন জ্যোতির্বিদেরা

আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্রের গবেষকেরা জানাচ্ছেন, আগামী ২৯ মার্চ (শনিবার) আরব দেশগুলোতে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার সম্ভাবনা খুবই কম। এই পরিস্থিতিতে, রমজান মাস ৩০টি পূর্ণ হওয়ায় ঈদুল ফিতর ৩১ মার্চ (সোমবার) পালিত হতে পারে।

শিশুরা রোজা ভাঙলে কাজা করতে হবে?

শিশুরা রোজা ভাঙলে কাজা করতে হবে?

ইসলামের বিধি-বিধানগুলো আল্লাহ তায়ালা প্রাপ্ত বয়স্ক নারী পুরুষের জন্য ফরজ করেছেন। ইসলামের বিধি-বিধান পালনের জন্য প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে। আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করার জন্য পরকালে জবাবদিহিতা করতে হবে প্রাপ্ত বয়স্কদের।  

রোজা পরিপূর্ণ হয় যেভাবে

রোজা পরিপূর্ণ হয় যেভাবে

পবিত্র রমজান কোরআন নাজিলের মাস, রহমত ও বরকতের মাস, ক্ষমালাভের মাস, নাজাতের মাস। আল্লাহ তাআলার কাছে রোজাদারের মর্যাদা অনেক। 

পাকিস্তানে রোজা হতে পারে ২৯টি, ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ৩১ মার্চ

পাকিস্তানে রোজা হতে পারে ২৯টি, ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ৩১ মার্চ

ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সিয়াম সাধনার মাস রমজান। পবিত্র এই মাসের দ্বিতীয় দশকও শেষ হতে চলেছে। এ বছরের রমজান মাসটি ২৯ নাকি ৩০ দিনের হবে সে বিষয়েও চলছে আলোচনা।

রোজা রেখেই স্পেনের হয়ে খেলবেন ইয়ামাল

রোজা রেখেই স্পেনের হয়ে খেলবেন ইয়ামাল

ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সিয়াম সাধনার মাস রমজান। পবিত্র এই মাসে অনেক মুসলিম খেলোয়াড় রোজা রেখেই খেলতে নামেন। খেলা চলাকালীন একটু বিরতি নিয়ে ছোট্ট পরিসরে ইফতার করে রোজাও ভাঙেন।