বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অনেকেরই কোমর ব্যথা, হাঁটুর ব্যথা দেখা দেয়। এটি স্বাভাবিক। কিন্তু এখন কমবয়সীদের মধ্যেও আর্থ্রাইটিস বা বাতের ব্যথার সমস্যা দেখা যাচ্ছে। আর্থ্রাইটিস দুই ধরনের হয়ে থাকে। অস্টিও আর্থ্রাইটিস এবং রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস।
শীতে
শীতকে বলা হয় সবচেয়ে উপভোগ্য ঋতু। শীত পড়া শুরু করলেই গোসল করাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হাস্যরসাত্মক ঘটনা শুরু হয়।
রাজধানীসহ সারাদেশে বেড়েছে শীতের তীব্রতা, সঙ্গে বইছে হিমেল হাওয়া উষ্ণতার জন্য গরম পোশাক কিনতে ছুটছেন মসব শ্রেণি-পেশার মানুষ।
চলতি বছরের শীতে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের মতো সংযুক্ত আরব আমিরাতেও পড়েছে ব্যাপক শীত। এই শীতের মধ্যেই শুক্রবার উপসাগরীয় অঞ্চলের এ দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে শুরু হয়েছে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ।
রাজধানীসহ সারা দেশে কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার দাপটে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
শীতে অনেকের জ্বর, সর্দি, কাশির সমস্যা লেগেই থাকে। এ কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।
কনকনে ঠান্ডা আর হিমেল বাতাসের দাপটে নওগাঁয় আবারও থমকে দাঁড়িয়েছে জনজীবন। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কাজকর্ম। এতে নিদারুণ কষ্টে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ।বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় নওগাঁয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ।
কুড়িগ্রামে তাপমাত্রার পারদ নেমেছে ১১ ডিগ্রির ঘরে। ঘন কুয়াশায় বেড়েছে দুর্ভোগ। শীতের তীব্রতায় দুর্ভোগে পড়েছে কুড়িগ্রামের মানুষ। কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে চারদিক। ফলে রাতের পাশাপাশি দিনভর অনুভূত হয় শীত। এতে ব্যাহত হচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক কাজকর্ম। বিপাকে পড়েছে নদীপাড় ও চরাঞ্চলসহ ছিন্নমূল মানুষ। এ ছাড়া চরম বিপাকে পড়েছে খেটেখাওয়া ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ।
পুরো ডিসেম্বরে রাজধানী ঢাকায় খুব একটা শীত অনুভব না হলেও বছরের শেষ দিনে রাজধানীবাসী বেশ শীত অনুভব করেছে। পৌষের মাঝামাঝি সময়ে বাইরে হিমেল বাতাসে বাড়ে শীতের মাত্রা। সে কারণে বেশ ঠান্ডা ছিল গতকাল।
শীতের রোদে ট্যান পড়ে না, একথা পুরোপুরি ঠিক নয়। শীতের সকালের রোদ খানিকটা মিষ্টি হলেও বেলা বাড়লে এর তীব্রতা বাড়ে।