যশোর প্রতিনিধি: যশোরে শীতের তীব্রতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার (১৮জানুয়ারি) ভোর থেকে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। শীতের মধ্যে হঠাৎ বৃষ্টিতে মানুষের স্বাভাবিক চলাচলে ছেদ পড়েছে।
শীতে
ভোলায় দিন দিন বেড়েই চলছে শীতের তীব্রতা। ব্যাহত হচ্ছে জনজীবন। সব থেকে বেশি ভোগান্তি হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষের। অপরদিকে শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সারাদেশের ন্যায় ভোলায়ও বাড়ছে নিউমোনিয়া আক্রান্তের হার।
ঝিনাইদহে তীব্র শীতের মাঝেই বৃষ্টি হানা দেয়ায় ছন্দপতন হয়েছে স্বাভাবিক জনজীবনে। অসময়ের বৃষ্টির কারণে ভোগান্তিতে পড়েছে সব শ্রেণির মানুষ।
শীত এলে বদলে যায় ত্বকের ধরণ। শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ত্বক শুষ্ক হয়। অল্প আর্দ্রতা ও ঠাণ্ডা বাতাস এর কারণ। ত্বক রক্ষ-শুষ্ক খসখসে চামড়া, নিষ্প্রাণ ত্বক— এ সবই শীতের লক্ষণ। যত শীত বাড়ে, ত্বকের অবস্থা খারাপ হতে থাকে।
দেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে আজকে ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
শীতে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক।
শীতকালে ত্বকের পাশাপাশি চুলও রুক্ষ হয়ে পড়ে।
শীত পড়তেই নানা রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
তীব্র শীতে স্থবির হয়ে পড়েছে জয়পুরহাটের জনজীবন। গত কয়েকদিন থেকে বাতাসের সঙ্গে শীত জেলার সর্বত্র জেঁকে বসেছে। কুয়াশার সাথে দমকা বাতাস বাড়িয়ে দিয়েছে শীতের প্রকোপ।
কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় গত চার দিন ধরে কুয়াশায় ঢেকে পড়েছে প্রকৃতি। সেই সঙ্গে হিমেল হাওয়ায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। প্রচণ্ড শীতে স্বাভাবিক কর্মজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।