নীলফামারীতে উত্তরীয় ঠান্ডা বাতাস ও কনকনে শীতের তীব্রতায় জনজীবন বিপর্যস্থ হওয়ার পাশাপাশি শীত জনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বিভিন্ন বয়সীরা। গেল কয়েক দিন থেকে সূর্যের মুখ দেখা না যাওয়ায় আরো বিপাকে পড়েছেন জেলার মানুষরা। এদিকে হাসপাতালগুলো বেড়েছে রোগীর সংখ্যা। আক্রান্তদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যাই বেশি।
শীতে
কুড়িগ্রামে ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। আর এ ঠান্ডায় বিশেষ করে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষজন পড়েছে চরম বিপাকে। গত ৬ দিন ধরে দিনভর সূর্যের মুখ দেখা যায় না। ফলে ঠান্ডায় কাহিল হয়ে পড়েছে এ জেলার মানুষজন।
ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের জনজীবন। সূর্যের দেখা নেই পাঁচদিন ধরে। গত কয়েকদিনের তুলনায় আজ (রোববার) তাপমাত্রা কমে এক অংকে নেমেছে।
পৌষের শেষদিকে শীতের দাপটে কাঁপছে সারাদেশ। বেশিরভাগ জেলায় প্রায় সারাদিনই সূর্যের দেখা মেলে না। ঘন কুয়াশা আর ঠাণ্ডা বাতাসে ঠাকুরগাঁওয়ের তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৯ ডিগ্রিতে। কিশোরগঞ্জ, পাবনা, দিনাজপুর, মেহেরপুর এবং চুয়াডাঙ্গার উপর দিয়ে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। জবুথবু রাজধানীবাসীও। ঠাণ্ডায় দুর্ভোগে ছিন্নমূল মানুষেরা।
তীব্র শীত থেকে বাঁচতে আগুন পোহাতে গিয়ে সেই আগুনে পুড়েই প্রাণ গেল জবা রানী (৭৫) নামের এক বৃদ্ধার।
দিনের পর দিন ঠাকুরগাঁওয়ে বাড়ছে শীতের প্রকোপ। হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এই জনপদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। হিমেল বাতাসে কাহিল হয়ে পড়েছে মানুষ।
সারা দেশে কনকনে শীতের মধ্যে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত এক আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিদিনের রান্নায় কমবেশি মসলা ব্যবহার করেন সবাই।
হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডায় কুড়িগ্রামে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ। ঘন কুয়াশার দাপট কম থাকলেও দুইদিন থেকে সূর্যের দেখা নেই। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে বুধবার (১০ জানুয়ারি) নওগাঁর বদলগাছীতে ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। লালমনিরহাটে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ ভিড় করছে পুরনো কাপড়ের দোকানে। পঞ্চগড়ে তিন দিন সূর্যের দেখা মেলেনি। কুড়িগ্রামে ঠান্ডায় কাবু শ্রমজীবী মানুষ। নীলফামারী ও দিনাজপুরে বিপর্যস্ত জনজীবন।