শীত আসতেই ত্বকের বাড়তি যত্ন নিতে শুরু করেছেন কমবেশি সবাই।
শীতে
শীত আসতেই সর্দি-কাশি কিংবা জ্বরে ভোগেন কমবেশি সবাই।
চীনের উত্তরাঞ্চলীয় বিভিন্ন নগরীতে বুধবার রেকর্ড ভঙ্গকারী সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে। এমন পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ দেশের বিভিন্ন অংশে প্রচণ্ড ঠান্ডার সতর্কতা জারি করেছে।
শীতে চলে পিকনিক, পার্টি, গেটটুগেদার। যেখানে প্রচুর আনন্দ, সেই সঙ্গে প্রচুর খাওয়া-দাওয়া।
শীতে শরীর গরম রাখতে সোয়েটার বা গরম কাপড় পরতেই হয়। অনেকে আবার মীতে দাপটে রাতে শুতে যাওয়ার সময় উলের পোশাক পরে ঘুমিয়ে পড়েন। বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতে আমাদের রক্তপ্রবাহ সঙ্কুচিত হয়ে যায়।
শীতের সময়টা যেন অনেক প্রতীক্ষিত সবার কাছেই। তারপরও শীতের আগমন মানেই একটু বাড়তি যত্ন, বাড়তি চিন্তা।
শীতকালে বেশিরভাগ মানুষই অলসতাই ভোগেন। এ সময় শারীরিক কসরতের ইচ্ছেও কমে যায়। বসে থাকার অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়, এতে ওজন বাড়তে পারে।
দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে কয়েক দিন ধরে জেঁকে বসেছে শীত। ঘনকুয়াশা আর তীব্র ঠান্ডায় জবুথবু হয়ে পড়েছে হিমালয়কন্যা পঞ্চগড়ের জনজীবন।
ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় কুড়িগ্রামে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় এ জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক শূণ্য ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ওজন কমানোর অন্যতম উপায় হলো পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া।