শ্রীলঙ্কায় সামরিক বাহিনী ও পুলিশের হাতে জরুরি ক্ষমতা ন্যস্ত করা হয়েছে। এই ক্ষমতার ফলে তারা যেকোনো লোককে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করতে পারবে।
শ্রীলঙ্কা
নজিরবিহীন বিক্ষোভের মুখে শ্রীলঙ্কায় প্রধানমন্ত্রী মহিন্দা রাজাপাকসা পদত্যাগ করেছেন। তবে তার পদত্যাগের পরও শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতি শান্ত হয়নি।
ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেছেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মহিন্দা রাজাপাকসা। আজ সোমবার দুপুরে তার পদত্যাগের খবর প্রকাশিত হয়েছে।
দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল। দুপুর সাড়ে ১২টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন দিমুথ করুনারত্নেরা।
সরকারের পদত্যাগের দাবিতে ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা ধর্মঘটে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে গোটা শ্রীলঙ্কা। ধর্মঘটের কারণে আজ শুক্রবার দেশটির হাজার হাজার দোকান, স্কুল ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। বন্ধ হয়ে যায় বাস ও ট্রেন। ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতি ও আমদানি করা খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধ
প্রতিটি দেশই কোনো না কোনোভাবে নিজস্ব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, এই কঠিন সময়ে পারস্পরিক সহযোগিতা আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রয়োজনীয়।তিনি বলেন, করোনার প্রভাবে পণ্য উৎপাদন ও বিক্রয় ব্যাহত এবং রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে।
বড় ভাই মাহিন্দ্র রাজাপাকসেকে নেতৃত্বে রেখেই নতুন মন্ত্রিসভা ঘোষণা করেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে। যদিও বিপর্যস্ত অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে প্রেসিডেন্টেরই পদত্যাগের দাবি উঠেছে দেশটিতে।
শ্রীলঙ্কা মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, দেশের হাসপাতালগুলি চিকিৎসার জন্য জরুরি বিদেশি ওষুধ ও সরঞ্জাম পাচ্ছে না। ফলে রুটিন সার্জারি আর করা যাচ্ছে না। যা অবস্থা, তাতে কিছুদিনের মধ্যেই জীবনদায়ী সার্জারিও বন্ধ করে দিতে হবে।
প্রবল আন্দোলনে বিপর্যস্ত শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে পদত্যাগ করবেন না বলে দেশটির সংসদের একজন হুইপ জানিয়েছেন।
শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে। মঙ্গলবার গভীর রাতে একটি বিবৃত জারি করে প্রেসিডেন্ট জানান যে তিনি জরুরি অবস্থার নির্দেশ প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন। এর ফলে নিরাপত্তা বাহিনী দেশে যেকোনো রকমের সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবে বলেও তিনি ওই বিবৃতিতে জানিয়েছেন।