চলতি মাসের শেষেই সংক্রমণের শিখর ছুঁতে পারে করোনা সংক্রমণ। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এই উৎকণ্ঠার মধ্যেই মঙ্গলবার সামান্য স্বস্তি দিয়েছিল করোনার নিম্নমুখী গ্রাফ। কিন্তু সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হল না। কারণ গত ২৪ ঘণ্টায় ফের লাফিয়ে বাড়ল কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। লাগাতার ঊর্ধ্বমুখী মৃত্যুর হারও নতুন করে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সংক্রমণ
অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে ২০১৯ সালে সারা বিশ্বে ১২ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে বলে এক ব্যাপক-ভিত্তিক গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে।
পাবলিক হেলফ ফ্রান্স সর্বশেষ তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন চার লাখ ৬৪ হাজার ৭৬৯ জন।
ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে গত ৭ থেকে ১৩ জানুয়ারি করোনায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখেরও বেশি রেকর্ড করা হয়েছে।
বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে শনাক্ত হয়েছে পৌনে ৩২ লাখ মানুষ। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩২ কোটি ছাড়িয়েছে।
বিশ্বজুড়ে নতুন করে তাণ্ডব শুরু করেছে করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। এর প্রভাবে পাকিস্তানে হু হু করে বাড়ছে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশটিতে সংক্রমণ ৪৬ শতাংশ বেড়েছে।
চীনের মধ্যাঞ্চলের শহর আনিয়াংয়ে করোনার নতুন ধরন অমিক্রনের তীব্র সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। অমিক্রনের এ সংক্রমণ প্রতিরোধে চীনের এ শহরটির অর্ধকোটি মানুষকে লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে।
করোনা সংক্রমণ রোধে ১১টি বিধিনিষেধ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সোমবার (১০ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
ভারতে এক লাফে প্রায় ৫৫ শতাংশ বাড়ল করোনার দৈনিক সংক্রমণ। মঙ্গলবার দৈনিক সংক্রমণ ছিল ৩৭ হাজার ৩৭৯। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় তা ২১ হাজারেরও বেশি বেড়েছে।
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সারাদেশে টিকা কার্যক্রম চলছে। এরই মধ্যে দেশে প্রথম ডোজের মাধ্যমে টিকার আওতায় এসেছে ৭ কোটি ৫০ লাখ ৭০ হাজার ৪৫৪ মানুষ।