২০২১ সালে ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের আগে পাঁচ ম্যাচ সিরিজ টাইগাররা জিতেছিল ৩-২ ব্যবধানে।
সিরিজ জয়
তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেটা ভারত জিতেছিল ৮ উইকেটে। দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা আনে দক্ষিণ আফ্রিকা। বোল্যান্ড পার্কে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেটি তাই হয়ে গিয়েছিল ‘ফাইনাল’।
বিশ্বকাপ ফাইনাল হারের জ্বালা কিছুটা হলেও জুড়াল ভারত। টি-টোয়েন্টি সিরিজে ওয়ান ডে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে হারাল স্বাগতিকরা। রায়পুরে চতুর্থ ম্যাচে সফরকারীদের ২০ রানে হারিয়েছে ভারত।
পিছিয়ে থেকেও সিরিজ জিতে নিলো বাংলাদেশ। সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করলো ২-১ ব্যবধানে। আজ মিরপুরে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়েছে ৭ উইকেটে।
তৃতীয় আর চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে জিতে আত্মবিশ্বাসী হয়ে মাঠে নেমেছিল ভারত। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে ছিল ইতিহাস। ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এর আগে কোন দলই ২-০ থেকে ফিরে এসে সিরিজ জেতেনি।
টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তান বাংলাদেশের জন্য ছিল প্রবল এক প্রতিপক্ষ। সেই আফগানদের এবার ২-০ ব্যবধানে হারাল টাইগাররা।
আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচ টি-টয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে দারুণ জয় তুলে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে সাকিব বাহিনী।
সিলেটে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আজ রবিবার (১৬ জুলাই) মুখোমুখি হচ্ছে টাইগাররা। প্রথম ম্যাচে দুই উইকেটে জিতে আফগানদের বিপক্ষে ১-০’তে এগিয়ে সাকিরের দল। তাই অপরিবর্তিতই একাদশ নিয়েই আজ মাঠে নামতে পারে বাংলাদেশ।
২৭৫ রানের লক্ষ্যে আয়ারল্যান্ড ৫০ ওভারে আটকে গেছে ৯ উইকেটে ২৭১ রানেই। প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পর ৪ রানের রোমাঞ্চকর জয়ে ২-০ ব্যবধানে বিশ্বকাপ সুপার লিগের শেষ সিরিজটিও জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ।
গত ম্যাচেই সিরিজ জয়টা নিশ্চিত করতে পারতো বাংলাদেশ, সেই সম্ভাবনার প্রায় সিংহভাগ কাজই সেরে ফেলেছিলেন ব্যাটাররা। তবে বোলারদের সামনে বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় বৃষ্টি। সেদিন রেকর্ড রান করেও ফলাফল ভাগাভগি করে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল টাইগারদের।