সাম্প্রতিক বন্যায় সুনামগঞ্জ জেলার ১২টি উপজেলার অন্তত দুই হাজার কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) আওতাধীন অধিকাংশ সড়কই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব রাস্তায় পায়ে হাঁটাও কষ্টকর। মোটরসাইকেল বা সিএনজিচালিত অটোরিকশা চললেও এটি যেন মরণ ফাঁদ।
সুনামগঞ্জে
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও এখনো লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন।
সিলেটে বন্যাদুর্গত এলাকায় পানিবন্দী লোকজনকে উদ্ধারে কাজে যোগ দিয়েছে নৌবাহিনী। আজ শনিবার সকাল থেকে নৌবাহিনীর ৩৫ সদস্য দুটি টিমে ভাগ হয়ে কাজ শুরু করেছেন।সিলেটের জেলা প্রশাসক মো: মজিবর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পাহাড়ি ঢল আর অতি ভারী বৃষ্টিতে নদনদী ও হাওরের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যার আরো বিস্তৃতি ঘটেছে।
সুনামগঞ্জের দিরাই ও জামালগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে দু’জন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় কৃষি জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কৃষক মুকুল খা ও তার ছেলে মাসুদ খা মারা গেছেন। এ সময় আরও দুজন আহত হয়েছেন।
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দুই শিশুর মৃত্যুতে পরিবার-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সোমবার বিকেলে দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাও ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।