হরমুজ প্রণালি অবরোধে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন কোনো উদ্যোগে যুক্তরাজ্য অংশ নেবে না বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
হরমুজ
বাংলাদেশি কোনও জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকবে না বলে নিশ্চিত করেছে ইরান। রবিবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেকোনো ধরনের সামরিক নৌযান চলাচলের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সংস্থাটির নৌ-শাখা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই জলপথ দিয়ে কোনো সামরিক জাহাজ পার হওয়ার চেষ্টা করলে তাদের ‘চরম পরিণতির’ সম্মুখীন হতে হবে।
ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলমান যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ। যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম কোনো মার্কিন রণতরী এই জলপথ দিয়ে যাতায়াত করল।
ইরানের সহযোগিতা থাকুক আর না থাকুক, খুব শিগগিরই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনের ক্ষেত্রে ইরানের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তির সঙ্গে মিলছে না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি হওয়ার পর শর্ত অনুযায়ী এবার খুলছে হরমুজ প্রণালি। তবে এই জলপথ দিয়ে যেতে হলে কিছু শর্ত ও সতর্কতা মেনে চলতে হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ইরান। একইসঙ্গে হরমুজ প্রণালী দিয়ে নৌপরিবহন যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরতে দীর্ঘ সময় লাগবে বলেও জানিয়েছে তেহরান।
ইরানের ওপর হামলা বন্ধ করা হলে নিজেদের প্রতিরোধমূলক সামরিক অভিযান স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক বিবৃতিতে একথা জানান।
ইরান যুদ্ধের পর হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র টোল বসাতে চায় বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করেছে ওমান। ওমানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।