চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক ও ভারত। সম্প্রতি ভারতের দুটি জাহাজ পার হয়েছে। আরও কিছু দেশ, এমনকি বাংলাদেশও যারা আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করেছে, তাদের জন্যও এটি চালু থাকবে। ভবিষ্যতেও যুদ্ধের পরেও এটি চলবে।’
হরমুজ
যুদ্ধের জেরে চরম উত্তেজনার মধ্যে ইরানের অনুমতি সাপেক্ষে নিরাপদভাবে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে একটি থাই তেলবাহী ট্যাংকার।
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা সংকটের কারণে জ্বালানি তেলের উত্তোলন হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম তেলসমৃদ্ধ দেশ কুয়েত।
হরমুজ প্রণালিতে এবার যুক্তরাষ্ট্রের মনোনীত মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের একটি তেলবাহী জাহাজ আটক করেছে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ভারতের রাজ্যসভাতে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে বিবৃতিতে এ তথ্য জানান তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুব দ্রুতই আবার খুলে দেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যৌথ নিয়ন্ত্রণের ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন।
মার্কিন হামলার হুমকির জবাবে সরাসরি পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্রে বোমা হামলা চালালে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।
ইরান–ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ পাহারা দিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর মার্কিন আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে বেশ কিছু মিত্র দেশ।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর তেল রপ্তানিতে বড় ধস নেমেছে। বাজার বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান কেপলার জানিয়েছে, অঞ্চলটির জ্বালানি তেলের রপ্তানি প্রায় ৬০ শতাংশ কমে গেছে।