সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা ইউটিউবে স্ক্রল করলেই প্রায়ই চোখে পড়ে- ‘এই দোয়াটি শেয়ার করলে আজই সুখবর পাবেন’ বা ‘অমুক আমল করলে হাজার বছরের সওয়াব’- এমন নানা চটকদার বার্তা।
হাদিস
মুফতি আব্দুর রহমান নাঈম কাসেমী হাদিসশাস্ত্রে বাংলাদেশের অন্যতম উজ্জ্বল মুখ। দেশ-বিদেশের বহু খ্যাতিমান মুহাদ্দিস ও আলেমদের সান্নিধ্যে থেকে তিনি হাদিস, ফিকহ ও ইসলামি জ্ঞানের নানা শাখায় গভীরতা অর্জন করেছেন। তিনি যেমন একজন প্রাজ্ঞ শিক্ষক, তেমনি একজন খ্যাতনামা গবেষক ও স্বীকৃত লেখক। বিশেষত আরবি ভাষায় তাঁর রচিত হাদিসভিত্তিক গবেষণা গ্রন্থসমূহ আরব বিশ্বে আলোচিত এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত।
স্বর্ণের প্রতি মানুষের আগ্রহ প্রাচীনকাল থেকেই। বর্তমান সময়েও স্বর্ণ মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রে। সাজ-সজ্জা, সৌন্দর্য প্রদর্শনীর জন্য মানুষের আগ্রহের অন্যতম বস্তু হলো স্বর্ণ।
রাসুলুল্লাহ (সা.) এমন কিছু লোকের কথা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, যাদের প্রতি আল্লাহর ঘৃণা ও অভিশাপ নাজিল হয়।
কেয়ামতের ছোট নিদর্শনগুলো একে একে প্রকাশ পাচ্ছে। এর মধ্যে একটি অন্যতম হলো- ইলমহীন বক্তাদের প্রভাব বৃদ্ধি এবং প্রকৃত আলেমদের হ্রাস। রাসুলুল্লাহ (স.) একে কেয়ামতের আলামত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
বাসায় পোষা বিড়াল থাকলে এমন দৃশ্য প্রায়ই দেখা যায়—তোমার প্লেটের খাবার থেকে এক চিমটি খেয়ে নেয় সে, কিংবা হুট করে ঝাঁপিয়ে পড়ে রান্নাঘরের কোনো খাবারে। প্রশ্ন জাগে মনে: “এখন কি আমি সেই খাবার খেতে পারি?”
পবিত্র হাদিসের জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদে দারসুল হাদিসের আয়োজন করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনের মসজিদুল আকসা মুসলমানদের কাছে তৃতীয় পবিত্রতম স্থান। যার প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং সম্মান রক্ষা করা মুসলমানদের ঈমানি দায়িত্ব মুসা (আ.)-এর জবানে মসজিদুল আকসা ও তার
বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ ও মাহাত্ম্যপূর্ণ রাত শবে কদর। একে লাইলাতুল কদর বা কদরের রজনীও বলা হয়।
প্রতি বছর একটি রাত আসে, যে রাতকে মহান আল্লাহ অন্য সব রাতের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন সেই রাতটির নাম লাইলাতুল কদর' বা কদরের রাত, যার অপর নাম শবেকদর।