ঠান্ডা লাগা অর্থাৎ সর্দি, নাক বন্ধ, গলাব্যথা, গলা খুসখুস করা, গলার স্বর ভেঙে যাওয়া, কাশি, এমনকি জ্বরের মতো উপসর্গও দেখা দেয় বছরের নানান সময়ে। গরমে বা বর্ষায় কেন এমন হয়? সুস্থ থাকতে করণীয় কী?
সর্দি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হামের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় সাধারণ মানুষের মাঝে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
শীতকালে সর্দি, কাশি ও জ্বরের প্রকোপ বেড়ে যায়। আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাসের সংক্রমণও ত্বরান্বিত হওয়ায় ছোট-বড় সবাই এই সমস্যা থেকে বঞ্চিত থাকেন না। চিকিৎসকেরা বলছেন, শীতে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোই এই সমস্যার মূল সমাধান।
সর্দি বা ফ্লু-এর প্রথমদিনেই অনেকেই গরম স্যুপের দিকে ঝুঁকে থাকেন।
কখনো অবিরাম বৃষ্টি, কখনো কড়কড়ে রোদ। আবহাওয়ার এমন খামখেয়ালিপনার কারণে ঘরে ঘরে এখন সর্দি-কাশি, জ্বরের রোগী। তবে কেবল সাধারণ জ্বর-সর্দি নয়, এসময় নিউমোনিয়া, টাইফয়েডের মতো জটিল স্বাস্থ্য সমস্যাতেও ভুগছেন অনেকেই।
বৃষ্টির দিনে জ্বর ভাব, সর্দি-কাশি? পথ্য হিসেবে বানিয়ে ফেলুন লাল স্যুপ। সমাজমাধ্যমে এই স্যুপের রেসিপি জানিয়েছেন এক পুষ্টিবিদ। তার পর অনেকেই সেটি বানিয়ে খেয়ে উপকৃত হয়েছেন।
আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনার দৌরাত্ম্য। কোভিডের নতুন ধরনে আক্রান্ত হয়ে ভারতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ইতোমধ্যে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।
বসন্ত বাতাসে ফুলের সুবাসের সঙ্গেই ভেসে আসে নানান অ্যালার্জেন। অনেকেই এ বসন্তে ভুগছেন ভাইরাল ঠান্ডা-জ্বরে।
শীত এলেই বেড়ে যায় সর্দি-কাশি, অ্যালার্জির সমস্যা। ওষুধ খেয়েও কমতে চায় না। কিন্তু অ্যালার্জির সঙ্গে আপস করা যায় না। একমাত্র যারা ভুক্তভোগী তারাই জানেন অ্যালার্জি কতটা মারাত্মক হতে পারে।
সর্দি–কাশি হলে অনেকেই সিরাপ ও অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে ফেলে। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া এসব ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়।