আজ ২৮ সফর বুধবার। পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা। মহানবী (সা.)-এর রোগমুক্তি দিবস। প্রতিবছর হিজরি সালের সফর মাসের শেষ বুধবার মুসলিম বিশ্বে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্মারক দিবস হিসেবে পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা উদযাপিত হয়।
- নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
- * * * *
- প্রসেনজিতের ঠোঁটে কামড় তরুণের, রক্তাক্ত হন অভিনেতা
- * * * *
- নিরাপত্তার স্বার্থে বাড়ি ছাড়ছেন সালমান! নতুন ঠিকানা কোথায় অভিনেতার?
- * * * *
- আইপিডিসি ফাইন্যান্সের ৪৪তম এজিএম অনুষ্ঠিত
- * * * *
- ড্রেসিংরুমে ফের রহস্যময় চিঠি রেখে গেল ইরান, কী লেখা ছিল তাতে?
- * * * *
ইসলাম
সব মুসলিম পরস্পর ভাই ভাই। আদি পিতা-মাতা হজরত আদম-হাওয়া আ: থেকে সবার উৎপত্তি। কিন্তু কালক্রমে মানুষ এই ভ্রাতৃত্বে ফাটল ধরিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে বিভিন্ন জাতি, বংশ, গোত্র ও বর্ণের ভিত্তিতে।
আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেক প্রাণীর রিজিকের জিম্মাদার। তবুও মানুষ এ রিজিকের পেছনেই সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় করে। এ রিজিকের জন্য আল্লাহর হক ভুলে যায়। আল্লাহর ইবাদত ভুলে যায়।
সন্তানের কাছে বাবা-মায়ের মান্যতা থাকবে এমনই চায় ইসলাম। বাবা-মায়ের ইসলামী শরিয়তবিরোধী আদেশ ছাড়া সন্তানকে সবকিছুই মানতে হবে।
ইসলাম ফিতরাতের ধর্ম। মানুষের স্বভাব-প্রকৃতি যা দাবি করে ইসলাম তা অস্বীকার করে না। বয়োপ্রাপ্তির পর একজন পুরুষ ও নারীর পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ স্বাভাবিক, আল্লাহপাক প্রদত্ত।
দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতার জন্য আত্মার পবিত্রতা অর্জনের বিকল্প নেই। মানুষের আত্মা যখন পৃথিবী ছেড়ে পরকালে যাত্রা করে, তা পবিত্র হলে মহান আল্লাহ ফিরিশতাদের মাধ্যমে তাকে বিশেষ সংবর্ধনা দেন। জান্নাতে অপবিত্র জিনিসের জায়গা নয়, তাই জান্নাতে প্রবেশ করতে হলেও আত্মাকে পবিত্র করতে হবে।
আমাদের সমাজে একটি কথা বহুল প্রচলিত ‘লজ্জা নারীর ভূষণ’। আসলে শুধু কি তাই? লজ্জা নারীকে সুন্দর করে তোলে। তার সম্মান মর্যাদা, আভিজাত্য প্রকাশ পায়।
শারীরিক শক্তি বর্ধনের জন্য পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ জরুরি। এর পাশাপাশি ব্যায়াম ও শরীরচর্চারও বিশেষ প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এ জন্য শারীরিক পরিশ্রম, সাঁতার কিংবা কুস্তিগিরি কৌশল রপ্ত করা প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে। একই ধারাবাহিকতা ছিল নবী-সাহাবির যুগেও। পবিত্র কোরআনে মুমিনদের দৈহিক ও সামরিক শক্তির অনুশীলন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। (সুরা : আনফাল, আয়াত : ৬০)
আল্লাহ তাঁর সব বান্দাকে ভালোবাসেন। বান্দার প্রতি আল্লাহর দয়া অবারিত। কিন্তু কোনো কোনো বান্দার প্রতি আল্লাহর দয়া ও ভালোবাসা একটু বেশি। একনিষ্ঠ আমল, বেশি বেশি নফল ইবাদত ও নৈকট্য অর্জনের নানা প্রচেষ্টা আল্লাহর প্রিয় হয়ে ওঠার মাধ্যম।
ঈমানের অন্যতম শর্ত হলো, পুনরুত্থানে বিশ্বাস করা। মহান আল্লাহ মৃত্যুর পর আমাদের আবার পুনরুত্থিত করবেন।
মানুষ কখনো একা বসবাস করতে পারে না। মানুষকে সমাজবদ্ধভাবে বাস করতে হয়। পরিবারিক ও সমাজিক জীবনে যে গুণটি সবচেয়ে বেশি জরুরি, তা হলো ধৈর্য। ধৈর্যহীনরা পরিবারে, সমাজে লজ্জিত হয়ে থাকে।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আর যখন সব কিছুর মীমাংসা হয়ে যাবে তখন শয়তান বলবে, ‘সত্যি বলতে কি আল্লাহ তোমাদের সাথে যে ওয়াদা করেছিলেন তা সব সত্যি ছিল এবং আমি যেসব ওয়াদা করেছিলাম তার মধ্য থেকে একটিও পুরা করিনি।
রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনটি কাজ দ্রুত সম্পাদনের নির্দেশ দিয়েছেন তার একটি হচ্ছে নামাজ। নামাজ আল্লাহর সর্বাধিক প্রিয় ইবাদত। তাই যে ব্যক্তি সঠিক-সুন্দরভাবে নামাজ আদায় করে সে আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয় বান্দা।
তাসবিহ পাঠে জান্নাতে গাছ বপন : মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ভালোবাসেন। তাই তাঁর বান্দাদের ছোট ছোট আমলের বিনিময়ে অফুরন্ত সওয়াব দান করেন। মুমিনের কয়েক সেকেন্ডের আমলের বিনিময়ে তিনি তাদের জন্য জান্নাতকে সাজিয়ে তোলেন। রাসুল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি (একবার) বলে ‘সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়াবিহামদিহি’, তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুরগাছ লাগানো হয়।” (তিরমিজি, হাদিস : ৩৪৬৪)
নামাজ আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে সাহায্য, বরকত ও রিজিকপ্রাপ্তির মাধ্যম। একজন মুমিনের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজই গুরুত্ব ও ফজিলতপূর্ণ। ফজরের নামাজের রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে শ্রেষ্ঠ উম্মাহ হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। তাই এ উম্মাহর শ্রেষ্ঠত্বের অনেক বৈশিষ্ট্য পবিত্র কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। মহান আল্লাহ মুসলিম জাতির প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন।