স্মার্টফোন ছাড়া একটা মুহূর্ত না চললেও এর ব্যবহারে লাগাম টানতে না পারলে পড়ে যাবেন গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিতে। একটানা স্ক্রলিং করলে ঘাড়ে ব্যথা থেকে শুরু করে শুকিয়ে আসতে পারে চোখ। ক্ষতি যে শুধু শরীরের হবে তা নয়, মনের বারোটা বাজাতেও জুড়ি নেই ফোনের।
- ইস্টার্ন ব্যাংকে নিয়োগ, থাকছে ফ্রেশারদের আবেদনের সুযোগ
- * * * *
- ব্র্যাকে ডেপুটি ম্যানেজার পদে নিয়োগ, থাকছে না বয়সসীমা
- * * * *
- বাংলাদেশ ব্যাংকে নবম গ্রেডে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন ফি ২০০ টাকা
- * * * *
- গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন
- * * * *
- সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু
- * * * *
লাইফস্টাইল
‘একজন বডিবিল্ডারের তুলনায় একজন সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের ক্যালরির গ্রহণের মাত্রা এক হবে না। তবে সাধারণভাবে একজন সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে রাতের খাবার থেকে ৫০০ থেকে ৭০০ ক্যালরি গ্রহণ করা উচিত।’
প্রতিদিন ঘর মোছা হলেও মেঝে কিছুতেই ঝকঝকে থাকে না। দিন দিন যেন মেঝের উপর কালচে দাগ পড়ে যায়। ফলে ঘরের দেওয়াল, আসবাব পত্র সুন্দর হলেও, ঘরের মেঝে সব সাজগোজকে মাটি করে দেয়।
বিশ্বজুড়ে আদা তরকারির মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এ আদাতে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টি-ভাইরাল, অ্যান্টি-সিভ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী।
আমাদের প্রতিটি কোষে পুষ্টি উপাদান ও অক্সিজেন পৌঁছে দেয় পানি। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধুয়েমুছে সাফ করে। খাবারও হজম করায় পানি।
সম্প্রতি বোস্টনের একটি হাসপাতালের গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত বাদাম খেলে মানুষ হালকা পাতলা গড়নের হয় এবং তাদের ক্যান্সার ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
ফল মানেই পুষ্টির আধার। তবে কিছু ফলের খোসাতেই আছে এমন পুষ্টি, যা ওটার ভেতরেও নেই।
শুধু ডিমের সাদা অংশ খেলে বাদ পড়ে যায় প্রয়োজনীয় অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। শরীরে প্রোটিনের অভাব মনে হলে এক বা একাধিক ডিম খেয়ে ফেলাটা খুবই সহজ সমাধান।
হৃদরোগ সচরাচর হুট করে হয় না। দীর্ঘ দিনের অস্বাস্থ্যকর লাইফ স্টাইলই এর জন্য দায়ী। আর কিছু উপসর্গ যদি আগেই ধরা পড়ে, তবে সতর্ক হতে সময় পাবেন যথেষ্ট। হৃদরোগের তেমনি কিছু আগাম পূর্বাভাস জেনে রাখা ভালো।
‘ডায়েট’ সোডা বা কোমল পানীয় দিনে একবার পান করলেও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।চলতি সময়ে পণ্য প্রচারের অংশ হিসেবে কৃত্রিম চিনি স্বাস্থ্যকর হিসেবে বলা হলেও ব্যাপারটা উল্টো।
অনেকেই রেস্তরাঁর খাবার খেতে দারুণ পছন্দ করেন। অনেকে তো বিভিন্ন খাবারের স্বাদ পেতে নানা রেস্তরাঁ ঘুরে বেড়ান। তবে করোনা আবহে এই খাওয়া-দাওয়া, ঘুরে বেড়ানো একেবারেই আর আগের মতো নেই। সচেতন না হলেই বিপাকে পড়তে পারেন আপনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিচের এই ৫ নিয়ম ঠিকঠাক মেনে চললেই বিপদ থেকে থাকতে পারবেন দূরে।
করোনাভাইরাস সবার আগে আমাদের শক্তিমত্তায় আঘাত হানে। এতে রোগী প্রথমেই দুর্বল অনুভব করতে শুরু করে। তখন আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা যত দ্রুত সাড়া দেবে তত ভয়াবহতার মাত্রা কমে আসবে।
মৌসুমি ফলের মধ্যে বেশ পুষ্টিকর পেয়ারা। এতে ক্যালরি কম, ফাইবার বেশি। সরাসরি খাওয়া হোক আর চাটনি বানিয়ে খান, পেয়ারার উপকার অনেক। এমনকি এর পাতারও আছে ওষুধি গুণ।
ঘরের ভেতরে সব ধরনের গাছ রাখা যায় না। কম আলোয় বাঁচতে পারে যে গাছ, রাখতে হয় সেগুলোই।ঘরের ভেতরের গাছ দিনের আলোয় কার্বন-ডাই-আক্সইডকে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনে পরিণত করে।
শারীরিক শক্তিবৃদ্ধি থেকে শুরু করে মন ভালো রাখার কাজও করতে পারে খানিক্ষণ হাঁটাহাঁটি। আর যারা হাঁটার একদমই সময় পান না, তারা দিনের একটা সময় বের করে ১৫ মিনিট হাঁটলেই পাবেন দারুণ কিছু উপকার।
গবেষকদের মতে, খাবার তালিকা থেকে কিছু খাবার বাদ দিয়ে পুষ্টিকর কিছু খাবার যোগ করে হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক ও শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি দীর্ঘায়ু অর্জন করা সম্ভব।