শ্যু জুতা বা মোজা পরে থাকলে পা ঘামাতে পারে। এটি স্বাভাবিক। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে অকারণেই এই সমস্যা দেখা যায়। বিশেষত গরম আর বর্ষায় এই সমস্যা বেড়ে যায়। পায়ের তলা অতিরিক্ত ঘামানোর সমস্যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘প্লান্টার হাইপারহাইড্রোসিস’ (Plantar Hyperhidrosis) বলা হয়।
- এবারের ঈদে ওটিটিতে মুক্তি পাচ্ছে ‘তাজমহল’
- * * * *
- দুই দশক পর একসঙ্গে হাবিব-কায়া
- * * * *
- কুমারখালীতে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ কারাগারে
- * * * *
- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২৩ কিলোমিটার যানজট, ভোগান্তিতে ঘরমুখো মানুষ
- * * * *
- লেবাননকে আবারও ‘বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংসের দিকে’ ঠেলে দিচ্ছে হিজবুল্লাহ: রুবিও
- * * * *
লাইফস্টাইল
কাবাব খেতে সবাই পছন্দ করলেও এটি তৈরির রেসিপি সবাই জানেন না। পদ্ধতি কঠিন মনে করে অনেকেই এড়িয়ে যান। আসলে কাবাব অনেক ধরনের হয়। আপনি কোনটি খেতে চান, সেটি হলো আসল বিষয়। আজকে এমন একটি কাবাব তৈরির কথা বলবো, যেটি তৈরি করা সবচেয়ে সহজ।
কুমড়োর বীজে রয়েছে ট্রিপটোফ্যান নামক এক ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড, যা শরীরে সেরোটোনিন এবং মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণে সরাসরি সহায়তা করে। এই দুই হরমোন মানুষের মেজাজ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনিদ্রা অনেকের জীবনেই স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে উঠেছে। শরীর যখন বিশ্রামের জন্য আকুল হয়ে ওঠে, তখন আমরা মোবাইলে স্ক্রল করি, টিভি দেখি এবং মেসেজের উত্তর দিই।
যারা বাড়তি মেদ কমাতে চান- তাদের জন্য সুখবর। কষ্টকর জিম বা কঠোর ডায়েট ছাড়াও কমানো যাবে শরীরের মেদ। গবেষকদের বরাতে সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান এমনটাই বলছে।
রান্নার আগে মাছ, মাংসকে সুস্বাদু বানাতে ম্যারিনেট করে রাখেন অনেকে। ঠিকভাবে ম্যারিনেট করলে খাবারের স্বাদ, গন্ধ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। কিন্তু অনেকেই না জেনে কিছু ছোট ছোট ভুলের কারণে পুরো রান্নার স্বাদই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
গরমের দিনে অনেকেই ঠান্ডা ও মিষ্টি কিছু খেতে পছন্দ করে। আর পায়েস তো এমনিতেই সবার প্রিয় মিষ্টান্ন। সেই চিরচেনা পায়েস যদি হয় লিচু দিয়ে তৈরি, তাহলে স্বাদ আর সতেজতায় যেন একেবারে নতুন মাত্রা যোগ করে।
আমের আচারের নাম শুনলেই জিভে জল আসে না, এমন বাঙালি মেলা ভার। গরম পরোটা, খিচুড়ি কিংবা বিকালের মুড়ি মাখার সঙ্গে একটুখানি আচার-ব্যস, খাবারের স্বাদ বদলে যায় নিমেষেই।
নারীরা সাধারণত সুন্দর-আকর্ষণীয় শরীর ধরে রাখতে এবং সুস্থ থাকার উদ্দেশ্যেই ওজন কমানোর চেষ্টা করেন। তবে অনেক সময় কিছু ভুল অভ্যাস তাদের শরীরের মেটাবলিজম ধীর করে দেয়, হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং দীর্ঘমেয়াদে ওজন কমানোকে আরও কঠিন করে তোলে।
ব্যস্ত জীবনে প্রতিদিন বাজার করা অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না। তাই বেশিরভাগ মানুষই অফিস থেকে ফেরার পথে বা ছুটির দিনে একসঙ্গে পুরো সপ্তাহের সবজি, ফল, মাছ-মাংস কিনে ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন।
পেটের গ্যাস, অ্যাসিডিটি, বদহজম কিংবা পেট ফাঁপার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। কেউ নিয়মিত ওষুধ খান, কেউ আবার ঘরোয়া নানা উপায় অনুসরণ করেন। দই খাওয়া, ভেজানো মশলার পানি পান করা বা বেশি করে পানি খাওয়ার মতো পরামর্শও প্রায়ই শোনা যায়।
গরমে বেড়ে যায় সর্দি-ঠাণ্ডার সমস্যা। এছাড়া পরিবেশ দূষণের কারণেও অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দেয়। ধুলাবালি, পরাগরেণু, ঠান্ডা লাগা, অ্যালার্জি— সব কারণেই হাঁচির সমস্যা দেখা দেয়। সারাদিনে দুই একবার হাঁচি হলে সমস্যা নেই। কিন্তু এই সমস্যা যদি অবিরাম চলতে থাকে তাহলেই সমস্যা।
মন ও শরীরকে সতেজ করার জন্য একটি আরামদায়ক ঘুমই যথেষ্ট। ভালোভাবে ঘুমালে শারীরিক, মানসিক এবং আবেগিক স্বাস্থ্য ভারসাম্যপূর্ণ থাকার সম্ভাবনা থাকে। যদিও ঘুম সব সমস্যার সমাধান নয়, তবে এটি শরীরকে দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করার জন্য একটি অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।
গরুর মাংসের যেকোনো পদই সুস্বাদু। উৎসবের আয়োজনেও এর নানা পদ রাখা হয়। গরুর মাংস ভুনা, আলু দিয়ে গরুর মাংস এ ধরনের রান্না তো বাড়িতে সব সময়েই হয়, আপনি কি কখনো দই বিফ রান্না করেছেন? সুস্বাদু এই পদ খাওয়া যায় ভাত, রুটি, পরোটা, খিচুড়ি কিংবা পোলাওয়ের সঙ্গে।
গরম পড়ার শুরুতেই প্রতিবছরের মতো এবারও নানাবিধ রোগ দেখা দিচ্ছে। তবে এবার পরিস্থিতি কিছুটা বেশি উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। গরমের আগেই ঘরে ঘরে জ্বর, বমি ও পেটের সমস্যায় ভুগছেন বহু মানুষ। কারও ক্ষুধা কমে যাচ্ছে, কারও আবার পেটে ব্যথা হচ্ছে। সঙ্গে ডায়রিয়াও বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে ওষুধ খেলেও পুরোপুরি স্বস্তি মিলছে না। আবহাওয়া অনুকূল না থাকায় ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও পরজীবীর সংক্রমণ বাড়ছে। ফলে সর্দি-কাশির পাশাপাশি পেটের রোগও বেশি দেখা দিচ্ছে।
ওজন কম বা রোগা হলেও রক্তে উচ্চ কোলেস্টেরল থাকতে পারে। এটি শুধু শরীরের ওজনের ওপর নির্ভর করে না; বরং লিভারের কার্যকারিতা, জিনগত বৈশিষ্ট্য এবং জীবনযাত্রার ওপর বেশি নির্ভরশীল। শরীরে প্রায় ৭০–৮০ শতাংশ কোলেস্টেরল লিভার নিজেই তৈরি করে, যা খাদ্যাভ্যাস বা ওজনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।