ভাঙ্গার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কাওসার ভূঁইয়া কারাগারে
প্রতিকী ছবি
ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. কাওসার ভূঁইয়াকে (৫৬) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর বুধবার বিকেলে তিনি ফরিদপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন প্রার্থনা করেন। তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
ফরিদপুর কোর্ট পরিদর্শক নাজনীন খানম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কাউসার ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে গত পাঁচ মাসে ভাঙ্গা থানায় দুটি মামলা দায়ের হয়েছে।
কাউসার ভূঁইয়া ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের শাহমল্লিকদী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ২০১১ ও ২০১৬ সালে পরপর দুইবার আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পরাজিত হন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাবেক এমপি নিক্সন চৌধুরীর সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর কাউসার ভুইয়ার নামে ভাঙ্গা থানায় দুটি মামলা হয়। এসব মামলায় কাউসার ভূঁইয়া এজাহারনামীয় আসামি। ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ভাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুজ্জামান ওরফে তাসকিন রাজু বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১১০ জনের নামসহ ও অজ্ঞাত আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলার তিন নম্বর আসামি কাউসার ভূঁইয়া।
গত ১৩ নভেম্বর ভাঙ্গা থানায় আরও একটি মামলা করেন ভাঙ্গা পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম বিটু মুন্সী। এ মামলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর ককটেল হামলার অভিযোগ আনা হয়। এ মামলায়ও কাউসার ভূঁইয়া তিন নম্বর আসামি। দুটি মামলায় ফরিদপুর-৪ আসনের সাবেক এমপি ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরীকে প্রধান আসামি করা হয়।
উল্লেখ্য, কাউসার ভূঁইয়া সাবেক এমপি নিক্সন চৌধুরীর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত।