হামাসকে ৬০ দিনের সময় বেঁধে দিলো ইসরাইল
সংগৃহীত
তেল আবিবের এই শীর্ষ কর্মকর্তারা বলছেন, হামাসকে ৬০ দিনের মধ্যে সব অস্ত্র, এমনকি একে-৪৭ সমর্পণ করতে হবে। মার্কিন প্রশাসন এই সময়সীমার জন্য অনুরোধ করেছিল বলেও জানান তিনি তারা। আর এর ফল না হলে নতুন করে আইডিএফ সামরিক অভিযানে নামবে বলে হুমকি দিয়েছে নেতানিয়াহু প্রশাসন।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বলছে, হামাসের যোদ্ধারা সীমান্ত অতিক্রম করেই চুক্তি ভঙ্গ করেছে। পাল্টা হামাস অভিযোগ করেছে, ইসরাইল সীমান্ত পয়েন্টে বিধিনিষেধ আরোপ করছে এবং অসুস্থ ও আহতদের চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে দিচ্ছে না। রাফাহ ক্রসিং দিয়ে মাত্র ৮১১ জন পার হয়েছে। যা প্রত্যাশিত ২,৮০০ জনের তুলনায় এক-তৃতীয়াংশ
আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতি হলেও ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যাকায় এখনও পুরোপুরি থামেনি ইসরাইলি বর্বরতা। প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছে নেতানিয়াহু বাহিনী। এতে হতাহতও হচ্ছেন অনেকে।
এদিকে গাজার সব ধ্বংসস্তুপ পরিস্কার করতে বছর পেরিয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচী ইউএনডিপি। স্থানীয় সময় সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) গাজা সিটি পরিদর্শনে গিয়ে একথা জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রতিনিধিদল। এমনকি তারা কর্মসংস্থান ও বাসস্থানের জন্য বহু বাসিন্দাকে সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছে বলেও জানান তারা।
অন্যদিকে পশ্চিম তীরের দখলকৃত জায়গাগুলোকে ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় সম্পদ হিসেবে নিবন্ধনের পরিকল্পনায় বিশ্বজুড়ে বয়ে যাচ্ছে নিন্দার ঝড়। জাতিসংঘ, ইইউ ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের নেতারা এ সিদ্ধান্তকে বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে এ সিদ্ধান্তে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন অনেকে।