মস্তিষ্ক মানবদেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। মস্তিষ্ক আমাদের স্মৃতি, অনুভূতি এবং চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করে। মস্তিষ্ক যতই ব্যবহৃত হয়, ততই শক্তিশালী আর কার্যকর হয়। তবে দৈনন্দিন জীবনের এমন কিছু অভ্যাস আছে যা আপনার অজান্তে মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে।
অভ্যাস
ছোটখাটো জিনিস থেকে বড়সড় গুরুত্বপূর্ণ জিনিস নিয়ে প্রতিনিয়তই আমাদের দুশ্চিন্তায় থাকতে হয় । অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা শরীর ও মন দুইয়ের জন্যই ক্ষতিকারক। এই মানসিক সমস্যা শরীরের জন্য কখনও কখনও মারাত্মক হতে পারে ।
দৈনন্দিন জীবনের ধারাবাহিক অনিয়ম কানুন মেনে চলার ওপর মানুষের সুস্থতা অনেকটা নির্ভর করে। শরীরের প্রতি অযত্ন থেকেই জন্ম নেয় রোগবালাই। তাই সুস্থ থাকতে কয়েকটি নিয়মে জীবনকে বাঁধা জরুরি।
মিষ্টির প্রতি প্রবল আকর্ষণ ডায়াবেটিসের একমাত্র কারণ- এই ধারণা কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়। অত্যধিক মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে, এটা ঠিক। কিন্তু মিষ্টি খাওয়া ছাড়াও দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসেও ডায়াবেটিস বাসা বাঁধে শরীরে।
শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল কিডনি। সুস্থ থাকতে কিডনিকে অবহেলা করলে চলবে না। নয়তো শরীরে নানা জটিলতা বাসা বাঁধতে পারে। বড় কোনও শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার আগে তাই সতর্ক থাকা জরুরি।
প্রায় রোজই টয়লেটে অনেক বেশি সময় লাগে। এই নিয়ে রোজই হাসি-ঠাট্টা, কখনও বা অভিযোগ শুনতে হয়। এই অভিজ্ঞতা কম-বেশি প্রায় সব বাড়িতেই আছে। এরই মধ্যে মাঝেমাঝে কমোডে তাজা রক্ত দেখে আতঙ্ক হয়।
শীত বাড়তেই ঘরে ঘরে সর্দিকাশি লেগেই আছে। বাড়ির বড়রা এই সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হরেক রকমের ফল খেতে বলেন।
হার্ট সুস্থ থাকা মানেই কিন্তু শরীর সুস্থ থাকা। কারণ শরীরে মূল কাণ্ডারি হল এই হার্ট। তাই সবার আগে হার্টের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। দীর্ঘদিন সুস্থ থাকতে গেলে হার্ট ভাল রাখতেই হবে।
মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখা খুবই জরুরি। আর মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য কিছু বিশেষ যত্ন ও সাবধানতা জরুরি। অথচ নিজের অজান্তেই প্রতিদিন অসংখ্য ভুল কাজে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যহানি করে চলেছি আমরা নিজেরাই।
আমার একটি কথা সকলে বলি যে “চ্যারিটি বিগিনস্ অ্যাট হোম”। তেমনি বাড়িতে আমরা নিজেরা কী করছি সেটা দেখে সন্তানরা আস্তে আস্তে বড় হয় এবং শিক্ষা লাভ করে। তাই সন্তানের ভালো গুণ এবং খারাপ অভ্যাস দুটোর জন্যই কিন্তু তার অভিভাবকরাই দায়ী প্রাথমিকভাবে। বাবা-মায়ের গুণ সন্তান জন্মের আগে থেকেই লাভ করে। এরপর মানুষ হিসেবে তৈরী হওয়ার প্রক্রিয়াটিতে সবথেকে বেশি প্রভাব বিস্তার করে সন্তানের বাবা-মা।