বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আদর্শ মহাবিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্যের প্রতীক ‘পিঠা উৎসব–২০২৬’ উদযাপিত হয়েছে।
আদর্শ
শাবান মাস রমজানের মাহাত্ম্য অর্জনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার শ্রেষ্ঠ সময়। এ মাসে মুমিন হৃদয়ে বইতে থাকে রমজানের সুবাস। আমরা অনেক সময় রমজানের অপেক্ষায় থাকি, কিন্তু তার আগের এই বরকতময় মাসটিকে অবহেলায় কাটিয়ে দিই। অথচ রসুল (সা.) এই মাসে পুরোদমে রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। বেশি বেশি নফল রোজা রাখতেন। আয়েশা (রা.) বলেন, রসুল (সা.)-কে রমজান ব্যতীত অন্য কোনো মাসে শাবানের মতো এত বেশি রোজা রাখতে দেখিনি। সামান্য কয়েকটা দিন ব্যতীত শাবানের প্রায় পুরো মাসই তিনি নফল রোজা রাখতেন (বুখারি, ১৮৬৮)।
মাদারীপুর-৩ আসনে বিএনপির ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ও দলের সহ-গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করেই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।
বেগম খালেদা জিয়ার জীবন, আদর্শ ও রাজনৈতিক সংগ্রাম থেকে শিক্ষা গ্রহণ করলেই বাংলাদেশে আবার গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আদুস সালাম।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সমঝোতা বা জোট এটা একটি রাজনৈতিক ও আদর্শিক জায়গা থেকে হতে পারে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নীতি ও আদর্শের পরিবর্তন জরুরি। ১৯৪৭ সালের পর থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ক্ষমতায়
ইসলাম শান্তির ধর্ম। এর মূল শিক্ষা সহনশীলতা, মানবতা ও ন্যায়বিচার। নবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন এ শান্তি ও মানবতার শ্রেষ্ঠ নমুনা। তিনি তাঁর উত্তম চরিত্র, ধৈর্য ও উদারতা দিয়ে তৎকালীন আরবের বর্বর সমাজকে রূপান্তরিত করেছিলেন একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থায়।
ইনসাফ ও ন্যায়বিচার এক মহত্ গুণ। ন্যায়বিচার ব্যক্তিকে সবার কাছে শ্রদ্ধাভাজন ও প্রিয়পাত্র করে তোলে। শাসক বা রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য ইনসাফ অপরিহার্য বিষয়।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়া এবং সামাজিক প্রত্যাশার দ্রুত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইসলাম মানুষের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ আদর্শের পথ দেখায়, যা আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর মাধ্যমে সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন। মুমিনদের জন্য উত্তম চরিত্র ও গুণাবলীর অধিকারী হওয়ার পাশাপাশি সকল পরিস্থিতিতে রাসুল (স.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করা অপরিহার্য।