বেগম খালেদা জিয়ার জীবন, আদর্শ ও রাজনৈতিক সংগ্রাম থেকে শিক্ষা গ্রহণ করলেই বাংলাদেশে আবার গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আদুস সালাম।
আদর্শ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সমঝোতা বা জোট এটা একটি রাজনৈতিক ও আদর্শিক জায়গা থেকে হতে পারে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নীতি ও আদর্শের পরিবর্তন জরুরি। ১৯৪৭ সালের পর থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ক্ষমতায়
ইসলাম শান্তির ধর্ম। এর মূল শিক্ষা সহনশীলতা, মানবতা ও ন্যায়বিচার। নবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন এ শান্তি ও মানবতার শ্রেষ্ঠ নমুনা। তিনি তাঁর উত্তম চরিত্র, ধৈর্য ও উদারতা দিয়ে তৎকালীন আরবের বর্বর সমাজকে রূপান্তরিত করেছিলেন একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থায়।
ইনসাফ ও ন্যায়বিচার এক মহত্ গুণ। ন্যায়বিচার ব্যক্তিকে সবার কাছে শ্রদ্ধাভাজন ও প্রিয়পাত্র করে তোলে। শাসক বা রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য ইনসাফ অপরিহার্য বিষয়।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়া এবং সামাজিক প্রত্যাশার দ্রুত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইসলাম মানুষের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ আদর্শের পথ দেখায়, যা আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর মাধ্যমে সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন। মুমিনদের জন্য উত্তম চরিত্র ও গুণাবলীর অধিকারী হওয়ার পাশাপাশি সকল পরিস্থিতিতে রাসুল (স.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করা অপরিহার্য।
মানুষের জীবনে আদর্শ অপরিহার্য। আদর্শহীন জীবন হলো দিশাহীন মরুভূমির পথিকের মতো, যেখানে কোনো গন্তব্য নেই, নেই প্রশান্তির আশ্রয়।
ইসলামের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দুনিয়ার রাষ্ট্রগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন—দারুল ইসলাম (ইসলামী রাষ্ট্র), দারুল আমন (নিরাপদ রাষ্ট্র) ও দারুল খাওফ (ভীতিকর রাষ্ট্র)।
ইসলাম প্রকৃতির ধর্ম, মানবতার ধর্ম, ভালোবাসা ও শান্তির ধর্ম, মহান আল্লাহর মনোনীত একমাত্র ধর্ম।