নিম্নচাপের প্রভাবে ভারী বৃষ্টির কবল থেকে উপকূলবাসী দুই দিন হলো রক্ষা পেয়েছেন।
আশঙ্কা
দেশের সাত অঞ্চলের উপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদফতর।
টানা ভারীবর্ষণ এবং ভারত থেকে আসা পানিতে দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। তবে এরই মধ্যে আশার বাণী শুনিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুল ইসলাম।
ভারতের সর্বদক্ষিণের রাজ্য কেরালার ওয়ানাড় জেলার মেপ্পেদির বড় এলাকাজুড়ে ভূমিধস হয়েছে। এতে শত শত মানুষ হতাহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
দেশের সব বিভাগেই ঝড়বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এর মধ্যে ৭ জেলার ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গত দুদিন ধরে আশঙ্কাজনক হারে যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে দ্রুতগতিতে বেড়ে চলেছে। এদিকে হু হু করে পানি বাড়ায় যমুনার অভ্যন্তরে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। তলিয়ে যাচ্ছে চরাঞ্চলের ফসলি জমি। এতে বন্যা আতঙ্ক বিরাজ করছে চরাঞ্চলের মানুষের মাঝে।
উজানের ঢল আর বৃষ্টিপাতের প্রভাবে তিস্তা নদীর পানি বাড়ছে। এতে লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল এবং চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় পানি উঠতে শুরু করেছে। তলিয়ে যাচ্ছে ধান ও পাটখেতসহ ফসলি জমি। আবারও বন্যার আশঙ্কা করছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।
জুন মাসে দেশে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কতিপয় স্থানে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
দেশের তিন অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
দেশের কয়েক অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস।