সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে শত বাধা অতিক্রম করে পদ্মা সেতু আজ দৃশ্যমান।
- “যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি ‘গেম চেঞ্জার’ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে”
- * * * *
- জি-৭ সম্মেলনে ইউক্রেনকে আরও অস্ত্র দেওয়ার অঙ্গীকার
- * * * *
- শ্রীলঙ্কায় সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসের ছেলে গ্রেফতার
- * * * *
- ২৭০ কোটি ডলারে বিক্রি হচ্ছে ‘পিৎজা হাট’
- * * * *
- যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে সড়কে আছড়ে পড়ল বিমান, একজন নিহত
- * * * *
ওবায়দুল
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন অন্যের ওপর ভর করে ক্ষমতায় যেতে অন্ধকারের চোরাগলি খুঁজছে।
বিএনপি সুবিধাবাদ-জিন্দাবাদে বিশ্বাসী বলেই দুর্নীতিবাজদের দলে প্রশ্রয় দেয়। রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি’র কোনো কৃতজ্ঞতা বোধ নেই। বিএনপি জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে গণমাধ্যম আর ফেসবুকে কথামালার বৃষ্টি ঝরিয়ে যাচ্ছেন। আর সুবিধাবাদী-দুনীতিবাজদের দলে প্রশ্রয় দিচ্ছে।
‘করোনা গতি প্রকৃতি কোন দিকে যায় বলা মুশকিল; তবুও সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে রেখেছেন। বৈশ্বিক এ মহামারি সত্ত্বেও বাংলাদেশ আজকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফরেন কারেন্সি রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে।
মূল পদ্মা সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি শতকরা প্রায় ৯১ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। সেতুর ৪১টি স্প্যানের মধ্যে ইতোমধ্যে ৩৭টি স্প্যান স্থাপন করা হয়েছে। সেতুর ৫ দশমিক ৫৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান।
“দুঃসময়ের ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করুন, এরাই বিপদে পাশে থাকবে। সুবিধাভোগীদের হাজার পাওয়ারের বাতি জ্বালিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে না। ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না, ক্ষমতা চিরস্থায়ী না। সব কলহ থেকে আমাদের সরে আসতে হবে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সব বিষয়ে সরকারের বিরোধীতা করাই বিএনপির একমাত্র রাজনৈতিক কৌশল।
‘দেশের উন্নয়ন এবং এগিয়ে যাওয়ার কথা তাদের (বিএনপি) কানে জ্বালা ধরায়, তারা শুধু নিজেদের অংশটুকুই শুনতে পায়। অন্য কিছু শুনতে ও দেখতে পায় না। শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারবের ঢোল পেটানোই এখন বিএনপির নিত্যদিনের রুটিন ওয়ার্ক।
বিএনপির রাজনীতি এখন ফেসবুক স্ট্যাটাস ও গণমাধ্যমেই সীমাবদ্ধ। রাজপথের রাজনীতিতে এখন হাজার পাওয়ারের বাতি জ্বালিয়েও খুঁজে পাওয়া যায় না বিএনপি নেতা-কর্মীদের।
আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশের সড়ক নেটওয়ার্কে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হবে। উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে চালু হয়েছে রোড সেফটি অডিট।