কুড়িগ্রাম সদরের মোগলবাসা এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুঃখিত চন্দ্র (২৬) নামের এক যুবকের মৃত্যু ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মোগলবাসা ইউনিয়নের কিসমত মাল ভাঙা গ্রামে নিজ বাড়িতে এ দূর্ঘটনার শিকার হন দুঃখিত চন্দ্র।
- চুনারুঘাটে প্যানেল চেয়ারম্যান তাঁতী লীগ সভাপতি জামাল গ্রেপ্তার
- * * * *
- খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী আরমান গ্রেপ্তার
- * * * *
- নারিকেল গাছ থেকে পড়লেন বিদ্যুতের তারে, প্রাণ গেল শ্রমিকের
- * * * *
- গোবিন্দপুর সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি-গ্রামবাসী
- * * * *
- ফেসবুকে বিরূপ মন্তব্য, বরখাস্ত হলেন শ্রম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা
- * * * *
কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামের রাজারহাটের ওমর পান্থাবাড়ী ইউনিয়নের ঘুমারু ভিমশীতলায় জমির আইলের পাশে থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সোনাহাট স্থলবন্দরের কার্যক্রম নয় দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
কুড়িগ্রামের ৪ উপজেলা থেকে পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ২২ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।অভিযান পরিচালনার জিআর ওয়ারেন্ট মূলে উলিপুরে একজন, সিআর ওয়ারেন্ট মূলে রাজিবপুরে ২ জন, জিআর সাজা ওয়ারেন্ট মূলে নাগেশ্বরীতে একজন, সিআর সাজা ওয়ারেন্ট মূলে রাজারহাটে একজন।
১৯৭৩ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কুড়িগ্রামে আসেন এবং জেলার সরকারি কলেজ মাঠে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন। তার আগমনের এ দিনটি উদযাপিত হয়েছে যথাযোগ্য মর্যাদায়।
কুড়িগ্রাম সদরের হলোখানা ইউনিয়নের হেমেরকুটি গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় খাদেম আলী নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের নারীসহ অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছে। নিহত খাদেম আলী মাস্টারের হাট এলাকা হেমের কুটি গ্রামের মৃত খটু মামুদের পুত্র।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে চলতি এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন ভূরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমান, বিদ্যালয়ের অপর দুই সহকারী শিক্ষক আমিনুর রহমান রাসেল ও জোবায়ের হোসাইন।
কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটেছে। হু-হু করে বাড়ছে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানি। গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে ৫৫ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার এবং ধরলায় সেতু পয়েন্টে ৪২ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।
নদ-নদীর পানি বাড়তে থাকায় কুড়িগ্রামের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। সোমবার সকালে সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমার ৪৪ সেন্টিমিটার ও চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমার ৫১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এতে ৪৯টি ইউনিয়নের দুই শতাধিক চরের প্রায় আড়াই লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
কুড়িগ্রামে কয়েক দিন ধরে বৃষ্টির ফলে তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। এ সময় ছয়টি বাড়ি ভেঙেছে। হুমকিতে রয়েছে আরো ৭০-৮০টি বাড়ি। অসময়ে তিস্তার ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে মানুষ।