যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দেওয়া ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাস হয়েছে।
গাজায়
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে রবিবার মার্কিন কার্গো বিমান থেকে ১০ মেট্রিক টনেরও বেশি খাদ্য ফেলা হয়েছে।
ফিলিস্তিনের গাজার মধ্যাঞ্চলে জাতিসংঘ পরিচালিত একটি স্কুলে হামাসের কম্পাউন্ড ছিল দাবি করে সেখানে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। রোববার (২ জুন) রাতে গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসে এই হামলা চালানো হয়।
একদিকে গাজার ফিলিস্তিনিদের ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক হামলা, অন্যদিকে গাজায় ত্রাণ প্রবেশে বাধা দিচ্ছে কট্টর ডানপন্থি ইসরায়েলি বিক্ষোভকারীরা।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলায় এক গর্ভবতী নারীসহ ১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে কমপক্ষে ১০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া গাজা সিটিতে পৃথক হামলায় নারী ও শিশুসহ আরও ৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও শতাধিক ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। এতে করে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা পৌঁছেছে ৩৫ হাজার ৫৬২ জনে।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় টানা প্রায় সাড়ে সাত মাস ধরে আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি সেনারা। দখলদার বাহিনীর অব্যাহত হামলা ও অভিযানে উপত্যকাটিতে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৩৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। বর্বর এই আগ্রাসনের জেরে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে ক্ষোভ। দখলদার রাষ্ট্রটির বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে আন্তর্জাতিক আদালতে। গণহত্যা বন্ধের দাবি তুলে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে দেশে দেশে।
গাজার উত্তরাঞ্চলের জাবালিয়া থেকে তিন জিম্মির মরদেহ উদ্ধার করেছে দখলদার ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। শুক্রবার (১৭ মে) এই তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী।
ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। টানা সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে চালানো এই হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার ফিলিস্তিনি। বর্বর এই আগ্রাসনে নিহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।