ফিলিস্তিনের ইজ্জাদ্দিন আল কাসাম ব্রিগেড ইসরায়েলের আরো একটি ট্যাঙ্ক ও চারটি সামরিক যান ধ্বংস করেছে।
গাজা
গাজায় নিহতের সংখ্যা সমানে বাড়ছে। ইসরাইলের হামলার কারণে গাজায় লাশ দাফন আরো কঠিন হচ্ছে। নেই লাশ দাফনের জায়গা।
জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ সকল সংস্থার প্রধানগণ গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের হত্যার ব্যাপারে রোববার শোক প্রকাশ করে যৌথভাবে একটি ব্যাতিক্রমী বিবৃতি দিয়েছেন।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা গাজাকে কার্যত দুই ভাবে বিভক্ত করে ফেলেছে।সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি বলেছেন, সেনারা গাজায় প্রবেশ করে উপকূল পর্যন্ত পৌঁছে গেছে এবং কার্যতভাবে তারা গাজা উপত্যকাকে দুই ভাগ করে ফেলেছে।
গাজায় চলমান ইসরায়েলি হামলায় শিশু মৃত্যুর সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়েছে। অবরুদ্ধ এলাকাটিতে এখন পর্যন্ত মোট ৯ হাজার ৭৭০ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েব এরদোগান বলেছেন, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় রক্তপাত বন্ধ করা তুরস্কের দায়িত্ব।
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ক্ষমতাসীনগোষ্ঠী হামাসের সাথে চার সপ্তাহ ধরে চলমান যুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। কেবল গাজায় স্থল হামলায় অংশ নেওয়ার পর এই উপত্যকার ভেতরে হামাসের হামলায় ইসরায়েলের অন্তত ৩২ সৈন্য নিহত হয়েছেন।
গাজায় ইসরাইলি হামলা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে জড়ো হয়েছেন হাজারো মানুষ।ফিলিস্তিনিদের ব্যাপক প্রাণহানি সত্ত্বেও ইসরাইলকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে বাইডেন প্রশাসন।
গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান সংঘাতে ইসরাইলি বন্দীদের মুক্তির দাবিতে তেল আবিবে বিক্ষোভ হয়েছে।
গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়েছে আরব দেশগুলো। তবে যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করছে যে যুদ্ধবিরতি হলে হামাস পুনরায় সংগঠিত হবে, এবং আবারো সাতই অক্টোবরের মতো হামলা চালাতে পারে সংগঠনটি।