অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার আল-মাগাজি শরণার্থী ক্যাম্পে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৫১ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার দিবাগত রাতে এ হামলা চালানো হয়। নিহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু বলে জানা গেছে।
গাজা
ইসরাইলি বাহিনী শুক্রবার গাজায় অ্যাম্বুলেন্সের একটি বহরকে লক্ষ্য করে চালানো হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি।
গাজায় ইসরাইলি হামলা চলমান থাকায় সেখানে আর কোনো জায়গাই নিরাপদ নেই বলে জানিয়েছে জাতিসঙ্ঘ। জাতিসঙ্ঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার পরিচালক টমাস হোয়াইট মন্তব্য করেছেন সেখানকার বাসিন্দাদের বাঁচাতে জাতিসঙ্ঘের প্রায় কোনো কিছুই করার নেই।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় কোনোভাবেই জ্বালানি তেল ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ড পুরোপুরি ঘিরে ফেলার দাবি করেছে ইসরাইলি বাহিনী। সেই সঙ্গে গাজায় সামরিক অভিযান আরও ‘জোরদার’ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।
ফিলিস্তিনের গাজায় দুটি ইসরায়েলি ট্যাংক ধ্বংস করেছে স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধারা।
গাজা উপত্যকা এখন হাজার হাজার শিশুর কবরস্থানে পরিণত হয়েছে। জাতিসঙ্ঘ মঙ্গলবার এ কথা বলেছে। একইসাথে সংস্থাটি আশঙ্কা করছে গাজার আরো অনেক শিশু পানিশূন্যতায় মারা যাবে।
গাজায় স্থলঅভিযান গিয়ে সেখানকার স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস যোদ্ধাদের হাতে ১১ ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে। এছাড়া আরো দুই সেনা গুরুতর আহত হয়েছে।
আবারো মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা।
গাজার ভোর বেলার সরাসরি সম্প্রচারিত একটি ভিডিও ফুটেজে দূর থেকে গাজার কিছু অংশ দেখা যায়, যেখানে অন্ধকারেও যুদ্ধ চলছে।