কুমড়া বীজ স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভালো। কিন্তু এই বীজের তেল কোন কাজে লাগে?
চুলের যত্নে
চুলের নানা ধরনের সমস্যা কমাতে পারে জিনজার এসেনশিয়াল অয়েল বা আদার তেল। খুব সহজে বাড়িতেই বনিয়ে নিতে পারেন উপকারী এই তেল।
ত্বকের যত্নে মুলতানি মাটির ব্যবহার সবারই জানা। কিন্তু চুলের সমস্যার ঘরোয়া এবং চটদলজি সমাধান লুকিয়ে রয়েছে মুলতানি মাটিতে। এটা হয়তো অনেকেই জানেন না।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে যেমন গ্রিন টি সাহায্য করে, তেমনি ত্বক উজ্জ্বল রাখতেও এর জুড়ি মেলা ভার। বিপাকহার উন্নত করতেও গ্রিন টির রয়েছে ভূমিকা।
চমৎকার নীল রঙের অপরাজিতা ফুলের রয়েছে অনেক ঔষধি গুণ। ফুলটির শুকনো পাপড়ি দিয়ে তৈরি করা যায় নানা রকম পুষ্টিকর পানীয়।
পেয়ারার গুণের কথা কম-বেশি সবার জানা। স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি ফল এটি। তবে কেবল পেয়ারা নয়, এর পাতাও কম উপকারি নয়। দাঁতে ব্যথা বা মুখে দুর্গন্ধ হলে পেয়ারা পাতা ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে কুলকুচি করলে এই দুই সমস্যাই দূর হয়।
ত্বক এবং চুল উভয়ের জন্যই দুর্দান্ত একটি উপাদান হচ্ছে কফি। এটি চুলের গঠন উন্নত করে এবং চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।
চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়া, চুল ঝরে যাওয়া কিংবা চুল ভেঙে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো যেন লেগেই থাকে চুলে। দুই ধরনের তেল নিয়মিত ব্যবহার করলে উপকার মিলতে পারে।
অ্যালোভেরা জেল শুধু ত্বকের জন্য নয়, চুলের স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী। চুল লম্বা করা থেকে শুরু করে নানা সমস্যার সমাধান মেলে প্রাকৃতিক এই ভেষজে।
লেবু চুলের যত্নে যুগ যুগ ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে। লেবু বিভিন্নভাবে চুলের ও মাথার ত্বক রক্ষা করে। মাথার ত্বকে ধুলো, ময়লা আটকে থাকে, তখন লেবুর পানি মাথার ত্বকে ব্যবহার করলে তা পরিস্কার হয়ে যায়। চুলের ফলিকলগুলো আনলক করতে সাহায্য করে লেবু।