তবে চুলের যত্নেও গোলাপ জল ব্যবহারের উপকারিতা গোলাপ জল চুলের আর্দ্রতা বজায় রাখে ও মাথার ত্বকের সমস্যা কমায়।
চুল
অনেকেই তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যায় ভোগেন। বিশেষ করে যাদের মাথার ত্বক থেকেও অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ হয় তাদের এই সমস্যা হয় বেশি। মাথার ত্বকে তেল ও সেবামের নিঃসরণের ফলে দেখা দিতে পারে খুশকি, চুলকানি, চুলের ডগা ভেঙে যাওয়ার মতো নানা সমস্যা।
উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক—একটি ২ কিলোওয়াট ক্ষমতার ইলেকট্রিক চুলায় প্রতিদিন যদি ২ ঘণ্টা রান্না করা হয়, তবে মাসিক বিদ্যুৎ খরচ দাঁড়াবে প্রায় ১২০ ইউনিটের কাছাকাছি। বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের গড় মূল্য হিসেব করলে মাসে খরচ দাঁড়াতে পারে ৯০০–১,০০০ টাকা বা তার বেশি।
চুলের যত্নে আমলকির ব্যবহার বেশ পুরনো। শরীর ভালো রাখতে অনেকেই তাই রোজ সকালে আমলকির রস খান। এতে আছে ভিটামিন সি, ট্যানিন, ক্যালশিয়ামের মতো উপকারি সব উপাদান। এসব উপাদান চুল পড়া কমানো, চুল কালো রাখা ইত্যাদিতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
রোজ ওয়াটার বা গোলাপ জল— রূপচর্চার ক্ষেত্রে একটি পরিচিত নাম। একে প্রাকৃতিক টোনারও বলা হয়। ত্বককে আর্দ্র রাখতে গোলাপ জলের জুড়ি মেলা ভার। তবে কেবল ত্বক নয়, চুলের জন্যও বেশ উপকারি উপাদানটি। আর তাই ত্বকের পাশাপাশি চুলের যত্নেও গোলাপ জল ব্যবহার করতে পারেন।
বাহারি রঙয়ের চুল এখন ফ্যাশানের নতুন ট্রেন্ড। কমবেশি সবাই এখন চুলে কালার বা হাইলাইট করাতে ভালোবাসেন। কিন্তু এই কালার করা চুলের জন্য প্রয়োজন বাড়তি যত্ন, নাহলে চুল হয়ে যেতে পারে রুক্ষ।
যাদের অকালে মাথার চুল ঝরে যেতে শুরু করে, তারাই শুধু জানেন এর কষ্ট। চুল পড়া বন্ধ করতে আপনিও নিশ্চয় নানার রকম উপদেশ শুনেছেন।
কচুর পাতা, কাঠ কিংবা ছড়া সবারই প্রিয় সবজির মধ্যে অন্যতম। ভর্তা থেকে যে কোনও মাছের সঙ্গে কচু বেশ সুস্বাদু।
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে শিশুসহ একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদেরকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
সোরিয়াসিস— এক ধরনের ‘অটোইমিউন স্কিন ডিজিজ’। সহজ ভাষায় যাকে আমরা চুলকানি বলে চিনি। অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায়, বর্ষাকালে এই ধরনের রোগ মারাত্মক আকার ধারণ করে। সোরিয়াসিস হলে ত্বক লাল হয়ে ফুলে যায়। সেসঙ্গে থাকে চুলকানি।