চুলে খুশকি নেই এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। খুশকির সঙ্গে চুল পড়ছে নিয়মিত। এ নিয়ে আপনার চরম দুশ্চিন্তা।
চুল
ঘুম ভাঙার পর সকালে বেশ বড়সড় যুদ্ধ করতে হয় চুল নিয়ে। কারণ চুল আঁচড়াতে গেলেই টের পাওয়া যায় জটের। যত যত্নই নিন না কেন, ঘুমের সময় অজান্তেই হয়ত ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে চুলের। কিন্তু চুলের স্বাস্থ্যরক্ষায় রাতের সময়টিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
ফিশ অয়েল বা মাছের তেল আসে তেলযুক্ত মাছের টিস্যু থেকে। এতে থাকে ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, বিশেষ করে, ইকোসাপেনটাইনোয়িক অ্যাসিড (ইপিএ) এবং ডোকোসাহেক্সাইনোয়িক অ্যাসিড (ডিএইচএ)।
চুল পড়া বাড়তে শুরু করলে তা অবশ্যই দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তখন নানা ধরনের তেল-শ্যাম্পু ব্যবহার কিংবা ভেষজ উপায়ে চুলের পরিচর্যা করেও বিফল হতে হয় অনেককে। কারণ, চুলের সমস্যা সব সময় বাইরে থেকে হয় না।
চিরুনি দিয়ে আঁচড়ালেই উঠছে মুঠো মুঠো চুল। সেসঙ্গে মাথার ত্বক হয়ে গেছে অতিরিক্ত তৈলাক্ত। হারিয়েছে চুলের জেল্লাও। এমন সমস্যাগুলো দেখা দিলে চুলের বাড়তি যত্ন নেওয়া জরুরি। শ্যাম্পু, তেল ব্যবহার করলেই চলবে না। প্রয়োজন সঠিক পুষ্টিও।
চুল ঝরা, পাতলা হয়ে যাওয়া, অকালপক্বতা রোধ করতে জবা ফুল বেশ ভালো কাজ করে। জবা ফুলে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড চুলে কেরাটিন প্রোটিনের উৎপাদন বাড়িয়ে তোলে।
তবে চুলের যত্নেও গোলাপ জল ব্যবহারের উপকারিতা গোলাপ জল চুলের আর্দ্রতা বজায় রাখে ও মাথার ত্বকের সমস্যা কমায়।
অনেকেই তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যায় ভোগেন। বিশেষ করে যাদের মাথার ত্বক থেকেও অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ হয় তাদের এই সমস্যা হয় বেশি। মাথার ত্বকে তেল ও সেবামের নিঃসরণের ফলে দেখা দিতে পারে খুশকি, চুলকানি, চুলের ডগা ভেঙে যাওয়ার মতো নানা সমস্যা।
উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক—একটি ২ কিলোওয়াট ক্ষমতার ইলেকট্রিক চুলায় প্রতিদিন যদি ২ ঘণ্টা রান্না করা হয়, তবে মাসিক বিদ্যুৎ খরচ দাঁড়াবে প্রায় ১২০ ইউনিটের কাছাকাছি। বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের গড় মূল্য হিসেব করলে মাসে খরচ দাঁড়াতে পারে ৯০০–১,০০০ টাকা বা তার বেশি।
চুলের যত্নে আমলকির ব্যবহার বেশ পুরনো। শরীর ভালো রাখতে অনেকেই তাই রোজ সকালে আমলকির রস খান। এতে আছে ভিটামিন সি, ট্যানিন, ক্যালশিয়ামের মতো উপকারি সব উপাদান। এসব উপাদান চুল পড়া কমানো, চুল কালো রাখা ইত্যাদিতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।